ঝড়ে বিধ্বস্ত রাজ্যকে মাত্র এক হাজার কোটি সাহায্য দেবেন মোদী

23rd May 2020 2:57 pm পশ্চিমবঙ্গ
ঝড়ে বিধ্বস্ত রাজ্যকে মাত্র এক হাজার কোটি সাহায্য দেবেন মোদী


কলকাতা: বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আকাশপথে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্গত এলাকা ঘুরে দেখার পর ওই কথা বলেন তিনি। তার আগে বসিরহাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলায় ৮০ জনের মৃত্যুতে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। এই ভয়াবহ সঙ্কট থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,এই সঙ্কটে গোটা দেশ বাংলার পাশে আছে। বাংলা যাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে তা আমরা দেখব। তিনি বলেন, মমতাজির নেতৃত্বে রাজ্য ভালো প্রয়াস নিয়েছে। মোদি জানান, কেন্দ্রের টিম শীঘ্রই রাজ্যে আসবে। কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার বিস্তারিত সমীক্ষা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে যারা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে দু’লক্ষ টাকা, আর যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রধানমন্ত্রী এক হাজার কোটি টাকা দেবেন বলেছেন। আমরা বিশদ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেব। তবে কয়েকটা জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন কেন্দ্র ও রাজ্যকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আকাশ পথে আমি ও প্রধানমন্ত্রী দেখলাম, কোনটা জল আর কোনটা স্থল তা বোঝা যাচ্ছে না। সব শেষ হয়ে গিয়েছে। মমতা জানান, দুর্গতদের জন্য রাজ্য সরকারও এক হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি করেছে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck