NRC এর প্রথম ধাপ NPR বলে মনে করেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি

25th December 2019 ভারত
NRC এর প্রথম ধাপ NPR বলে মনে করেন  আসাদউদ্দিন ওয়েইসি


নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জির (NPR) সঙ্গে জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (NRC) কোনও সম্পর্ক নেই খোলসা করেছেন অমিত শাহ। কিন্তু তা মানতে রাজি নন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবিকে খণ্ডন করে অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) সুপ্রিমোর বক্তব্য, এনপিআর হল এনআরসির প্রথম ধাপ। দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন অমিত শাহ। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই এই সম্পর্কে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি এও জানান, প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন। সংসদে বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় দেশজুড়ে এনআরসি করার কোনও আলোচনাই হয়নি কখনও।

ওয়েইসি জানিয়েছেন, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী NPR হচ্ছে। তাহলে NRC’র সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই কীভাবে? দেশবাসীকে ভুল বোঝাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ওয়েইসি আরও বলেন, ‘সংসদে আমার নাম করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ওয়েইসিজি গোটা দেশেই NRC লাগু হবে। এখন দেশের মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন কেন?’ এরপরই সরাসরি অমিত শাহকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘শাহজি, যতদিন বেঁচে থাকব সত্যি কথা বলব! NPR হল NRC’র প্রথম ধাপ। ২০২০ সালে NPR-এর কাজ শেষ হয়ে গেলে নথি চাইবে সরকার।’





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck