পশ্চিম মেদিনীপুরের জাহালদাতে করোনায় আক্রান্ত মহিলা

26th May 2020 10:11 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরের জাহালদাতে করোনায় আক্রান্ত মহিলা


 à¦¬à§‡à¦²à¦¦à¦¾ থানার জাহালদা এলাকার একত্রিশ বছর বয়সী মহিলার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর পরীক্ষা হয়। ক্যানসারে আক্রান্ত ওই মহিলার ওই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছিল। সোমবার ওই মহিলাকে পুর্ব মেদিনীপুরের বড়মা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ দিন ঘটনা সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দফতর, পুলিশ ও প্রশাসনের তরফ থেকে এলাকায় মাইকে প্রচার করা হয়। এলাকা সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় সকলকে। তবে মহিলার দেহে কী ভাবে সংক্রমণ ছড়াল তা নিয়ে ধোঁয়াশায় প্রশাসন। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশচন্দ্র বেরা বলেন, ‘‘ওই মহিলা বারাসতের একটি হাসপাতালে ওভারি ক্যান্সারের অপারেশন করিয়েছিলেন। পরে ফলো আপে যেতেন। মাঝে হাওড়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন। গত à§§à§® মে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা কোভিড টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন। ২৩ মে হাওড়ার হাসপাতালে নমুনা নেওয়া হয়। ২৪ তারিখ রিপোর্ট আসে পজ়িটিভ।’’

স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই মহিলার স্বামী সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন। স্বামীর কর্মসূত্রে বিশাখাপত্তনমে থাকতেন মহিলা। তাঁর বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি দুই একই ব্লক এলাকায়। তবে লকডাউনের সময় তিনি জাহালদায় বাপের বাড়ি চলে আসেন। জাহালদা বাজার কমিটির সভাপতি বিমল খাটুয়া বলেন, ‘‘মহিলা বাপের বাড়িতে ছিলেন। বাড়িতে একটি মুদি দোকানও ছিল। সংক্রমণ ছড়ানোর একটা আশঙ্কা থাকছে।’’

এই নিয়ে বেলদা থানার দাঁতন ২ ব্লকে তিনটি করোনা পজ়িটিভ ঘটনা সামনে এল। গত ৯ এপ্রিল এবং ১৬ মে দু’জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। আগামী চোদ্দদিন এলাকাকে পুরো সিল করেছে পুলিশ প্রশাসন। জেলা স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, পরিবারের সরাসরি সংযোগে যারা এসেছেন তাঁদের তালিকা করে কোয়রান্টিনে রাখা হয়েছে। সকলের নমুনা সংগ্রহ হবে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck