চীন নিয়ে সেনার সাথে জরুরী বৈঠকে বসছেন মোদী

27th May 2020 10:27 am ভারত
চীন নিয়ে সেনার সাথে জরুরী বৈঠকে বসছেন মোদী


লাদাখ সীমান্তে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা । আজ এনিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিন সেনার প্রধান জেনেরাল বিপিন রাওয়াত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল । এর আগে বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিঙ্গলা ও সেনা প্রধানদের সঙ্গেও আলাদা করে বৈঠক করেন তিনি ।

সপ্তাহ দুয়েক আগে থেকেই ভারত- চিন সীমান্তে উত্তেজনা বাড়তে থাকে । চিন নিজেদের LAC (লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল)-এর পাশে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য রাস্তার কাজ শুরু করে। এরপর ভারতও বর্ডার রোডস অর্গানাইজ়েশনকে দিয়ে LAC-র পাশের নেটওয়ার্ক তৈরি করার কাজ শুরু করে । কিন্তু তাতে বাধা দেয় চিনের সেনা । রুখে দাঁড়ায় ভারতীয় সেনা । লাদাখের তিন জায়গায় আপাতত এভাবেই মুখোমুখি দুই দেশের সেনা । বাড়ছে উত্তেজনাও । পরিস্থিতিতে খতিয়ে দেখতে দিন দুয়েক আগে লাদাখ যান সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে । পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন নর্দার্ন কম্যান্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে । পাশাপাশি গালওয়ান নালায় ভারতের সীমারেখায় চিনের চপার ঘোরার খবর প্রকাশ্যে আসে । যদিও সেকথা অস্বীকার করে চিন সেনা । তাদের পালটা অভিযোগ ছিল, তাদের সীমানায় ভারতীয় চপার ঘুরছে । এর মাঝেই খবর ছড়ায়, ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানদের আটকে রেখেছিল চিন সেনা । কিন্তু সেখবর একেবারেই মিথ্যা বলে জানিয়ে দেয় ভারতীয় সেনা ।

সূত্রের খবর, ভারত ও চিনের কমান্ডাররা সীমান্তের পরিস্থিতি ঠিক করার জন্য কথা বলেন । কিন্তু পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি । জানা গেছে, চিন লাদাখের কাছে LAC-তে ক্রমশ জওয়ানদের সংখ্যা বাড়াচ্ছে । শেষ দু'সপ্তাহে 100 টি টেন্ট তৈরি করেছে গালওয়ান নালা এলাকায় । দুই এলাকায় ভারতীয় সেনাও জওয়ানদের সংখ্যা বাড়াচ্ছে ।

এই পরিস্থিতিতে ভারত-চিনের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী । আজ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পূর্বে দীর্ঘ সময় ধরে তিন সেনার প্রধানদের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং । স্থল সেনাপ্রধান মনোজমুকুল নারাভানের কাছ থেকে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন তিনি ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck