Speak Up India অভিযান সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেসের

27th May 2020 3:48 pm ভারত
Speak Up India অভিযান সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেসের


‘লকডাউনে চরম দুর্ভোগে দেশের সাধারণ মানুষ। বারবার বলা সত্বেও কর্ণপাত করছে না সরকার।’ তাই কেন্দ্রের ‘ঘুম ভাঙাতে’ নতুন পন্থা নিচ্ছে কংগ্রেস (Congress)। দলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি প্রচারাভিযান চালানো হবে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্পিক আপ ইন্ডিয়া’ (Speak Up India)। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘গর্জে ওঠো ভারত’।

বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত একযোগে কংগ্রেস নেতাকর্মীরা লকডাউনের জেরে দেশের সাধারণ মানুষ যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরবেন। দলের তরফে সাধারণ নাগরিকদেরও অনুরোধ করা হয়েছে, ওই সময় ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবের মতো সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরতে।

এই পুরো প্রচারাভিযানের দায়িত্বে আছেন দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রোহন গুপ্তা। ইতিমধ্যেই এই ‘Speak Up India’ অভিযানের একটি লোগো প্রকাশ করা হয়েছে দলের তরফে। 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck