৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে স্কুল বন্ধ

28th May 2020 9:24 am পশ্চিমবঙ্গ
৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে স্কুল বন্ধ


কলকাতা: ১০ জুন নয়, রাজ্যে সব স্কুল খুলবে ৩০ জুন। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যে স্কুল জীবাণুমুক্ত করে খুলে দিলেই চলত, সাইক্লোনে সেগুলি ভেঙেচুরে গিয়েছে। সেখানে মেরামতের কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি ভিনরাজ্য থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদেরও স্কুলে আইসোলেট করে রাখার কাজ চলছে। এর জন্য ভবিষ্যতে আরও স্কুল প্রয়োজন। সব মিলিয়ে ৩০ জুনের আগে স্কুল খোলা যাবে না বলেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা এনসিইআরটি-ও জুলাই থেকে স্কুল খোলারই নির্দেশ দিয়েছে।
উচ্চ মাধ্যমিকের রুটিনে অবশ্য কোনও হেরফের হচ্ছে না। ২৯ জুনের পরীক্ষাগুলি হচ্ছে। তবে সাইক্লোনে বিধ্বস্ত আটটি জেলায় মোট ১০৫৮টি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র বাছাই করা হয়েছিল। তার মধ্যে ৪৬২টি স্কুলকে পরীক্ষা গ্রহণের অনুপযুক্ত করে দিয়েছে উম-পুনের তাণ্ডব। তাই অন্য স্কুল বাছাই করার পাশাপাশি এলাকার কলেজগুলিকেও পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের বই বিতরণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান। শিক্ষকদের কাছে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তাঁরা স্থানীয়ভাবে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পড়া বুঝিয়ে আসেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলি অবশ্য নিজস্ব নিয়মেই পরীক্ষা নেবে। স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা দেখা ছাড়া সরকার তাতে নাক গলাবে না বলেই শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে শিক্ষক সংগঠনগুলি অবশ্য বলছে, ট্রেন চলাচল শুরু না-হলে জুন মাসে পরীক্ষা গ্রহণ কঠিন হবে। তাছাড়া ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্লাস নেওয়ার বিষয়টিও খুব একটা বাস্তবসম্মত হবে বলে তারা মনে করছে না।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck