কলেজের অনুষ্ঠানে শাড়ি পরে এসে বিশেষ বার্তা তিন ছাত্রের

4th January 2020 ভারত
কলেজের অনুষ্ঠানে শাড়ি পরে এসে বিশেষ বার্তা তিন ছাত্রের


বাংলা খবরঃ পুণের ফার্গুসন কলেজের বার্ষিক অনুষ্ঠানের দিন। অধিকাংশ ছাত্রী শাড়ি বা সালোয়ার-কুর্তা পরে। ছাত্ররাও ফর্ম্যাল পোশাকে উপস্থিত হয়েছিলেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। কিন্তু শনিবারের সেই অনুষ্ঠানের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন তৃতীয় বর্ষের তিন ছাত্র। আকাশ, সুমিত, রুশিকেশ—অনুষ্ঠানে পরে এসেছিলেন শাড়ি। লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে বিশেষ বার্তা তুলে ধরতেই তাঁদের এই পোশাক পরা, বলে জানানো হয়। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই এখন প্রশংসার বন্যায় ভাসছেন ওই তিন ছাত্র।

শাড়ি পরে আসা ছাত্ররা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘কোথাও লেখা নেই ছেলেরা ছেলেদের পোশাকে আর মেয়েরা মেয়েদের পোশাকে আসবে। তাই মাথায় আসে, আমরা যদি সচেতনার বার্তা দিতে একটু অন্য রকম পোশাকে পরি। সে জন্যই শাড়ি পরে এসেছি আমরা।’’ শাড়ি পরে আসা তিন ছাত্রের এক জন আকাশ পওয়ার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘শাড়ি জোগাড় করতে গিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাদের। শাড়ি পরার জন্য আমরা আমাদের বন্ধু শ্রদ্ধার সাহায্য নিয়েছি। তবে শাড়ি পরার পর বুঝতে পারলাম, এটা কতটা ঝামেলার জিনিস।’’

শাড়ি পরে এসে ওই তিন ছাত্র লিঙ্গ-সমতার বার্তা দিয়েছেন। তাঁদের এই প্রয়াসকে শুধু পড়ুয়ারা নয়, শিক্ষকরাও সমর্থন করেছেন। শাড়ি পরতে গিয়ে নাকানিচোবানি খাওয়া নিয়ে ওই তিন ছাত্রের সরস মন্তব্য, ‘‘এ বার বুঝতে পারছি, সাজতে গিয়ে কেন মেয়েদের এত সময় লাগে।’’





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck