দিল্লির বিধানসভা ভোট ৮ ফেব্রুয়ারি, গণনা ১১ তারিখ

6th January 2020 ভারত
দিল্লির বিধানসভা ভোট ৮ ফেব্রুয়ারি, গণনা ১১ তারিখ


বাংলা খবরঃ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ এক দফায়, à§® ফেব্রুয়ারি। ভোটগণনা হবে তিন দিন পর à§§à§§ ফেব্রুয়ারি। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন চিফ ইলেকশন কমিশনার সুনীল অরোরা। মনোনয়ন জমা নেওয়া শুরু হবে ১২ জানুয়ারি থেকে। সেই সময়সীমা শেষ হবে ২১ জানুয়ারি। তার পরের দিন স্ক্রুটিনি হবে মনোনয়নপত্রগুলি। 

কমিশনের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লিতে কার্যকরী হয়ে গেল আদর্শ আচরণ বিধি। মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় à§§ কোটি ৪৬ লক্ষ। বুথ সংখ্যা à§§à§© হাজার ৭৫০টি, জানালেন সুনীল অরোরা।

দিল্লির শেষ বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। ভোট গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা হয় ১০ তারিখ। সে বার ৭০ আসনের মধ্যে আম আদমি পার্টি বা আপ জিতেছিল ৬৭টি আসনে। বাকি তিনটি পেয়েছিল বিজেপি। কংগ্রেস কোনও আসনে জেতেনি।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck