জেএনইউ-হামলা: দেশ এ আতঙ্কিত অভিজিৎ

6th January 2020 ভারত
জেএনইউ-হামলা: দেশ এ আতঙ্কিত অভিজিৎ


বাংলা খবরঃ জেএনইউ ক্যাম্পাসে ‘গেরুয়া’ হামলার সুদূরপ্রসারী প্রভাব দেখা যেতে পারে। ওই ঘটনার পর বিশ্ববাসীর কাছে দেশের ভাবমূর্তি নিয়েও চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। অভিজিতের মতে, এই হামলার ঘটনায় নাৎসি জমানার পরিণত হওয়ার আগেকার বছরগুলিতে জার্মানির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন তিনি।জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ভারতের প্রকৃত রূপ চিনিয়েছে। শিখিয়েছে বহুত্ববাদ। আর তিনি নিজেকে তুলে ধরেছেন গোটা বিশ্বের কাছে। আজ সেই প্রিয় JNU এ  সংঘর্ষে দীর্ণ, রক্তাক্ত। যে ছবি অবিরত ‘রক্তাক্ত’ করছে তাঁকেও। তিনি ব্যথিত, আতঙ্কিত।

রবিবার সন্ধেবেলা জেএনইউ-য়ের অন্তত তিনটি গার্লস হস্টেলে মুখে ঢেকে ঢুকে ‘বহিরাগত’রা তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ। এসএফআই সভানেত্রীর মাথা ফেটে যায়। যন্ত্রণায় তাঁর কথা বন্ধ হয়ে যায় প্রায়। তাঁকে এইমসে ভরতি করানো হলে, মাথায় ১৫টি সেলাইয়ের পর ছাড়া হয়। রবিবার সন্ধে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যখন টেলিভিশনের পর্দায় এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ভেসে উঠছে বারবার, ঠিক তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী তথা নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে সংবাদ প্রতিদিন। তিনি তখন দিল্লি থেকে সাড়ে à§§à§§ হাজার কিলোমিটার দূরে, বস্টনে নিজের কাজে ব্যস্ত। তাঁকে খবর দেওয়া হয়, কীভাবে তাণ্ডব চলেছে ক্যাম্পাসের ভিতরে, পাঠানো হয় হামলার ফুটেজ এবং ছবি। আর সেসব দেখে জেএনইউ-য়ের এই বিশ্ববরেণ্য প্রাক্তনী প্রতিক্রিয়া দিতে দেরি করেননি। এসব দেখেশুনে তিনি যে কতটা আহত, তার গোপনে রাখেননি।

 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck