আজমির শরিফের খাজা মইনুদ্দিন চিশতিকে লুটেরা বললেন আমিষ দেবগান ;200 টিরও বেশি FIR তাঁর বিরুদ্ধে

17th June 2020 9:49 pm ভারত
আজমির শরিফের খাজা মইনুদ্দিন চিশতিকে লুটেরা বললেন আমিষ দেবগান ;200 টিরও বেশি FIR তাঁর বিরুদ্ধে


[ajmer sharif}আজমির শরীফের সুফি খাজা মইনউদ্দিন চিশতিকে[moinuddin chishti] লুটেরা বলে নিজের টিভি শোতে উল্ল্যেখ করেন আমিষ দেবগান। মঙ্গলবার রাতে খাজা বাবার দরগার তরফে একজন খাদিম ওই উপস্থাপকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই প্রসঙ্গে আজমির শরীফের তরফে সৈয়দ সারওয়ার চিশতি বলেন, “ অমিশ দেবগন মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক অ্যাজেন্ডা নিয়েছেন। তবে খাজা মইনউদ্দিন চিশতির দরগা দর্শনে শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা যান না, সর্ব ধর্মের মানুষ খাজা বাবার দরগায় যান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরোধিতা শুরু হতেই টুইটারে ক্ষমা চান আমিষ দেবগান।তিনি তারপর নিউজ ১৮ টিভি চ্যানেলে ক্ষমা চান এবং বলেন যে তাঁর আস্থা রয়েছে খাজা বাবার উপর ও তিনি দরগাহতে গিয়েছেন।

কিন্তু সাধারন মানুষ নিউজ ১৮ টিভি চ্যানেলের বাইরে বিক্ষোভ দেখায় এবং সারা দেশ ব্যাপী তাঁর বিরুদ্ধে ২০০ টির ও বেশি এফ আই আর করা হয়েছে বলে সুত্র মারফৎ জানা গিয়েছে।সারা দেশব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের আমিষ দেবগানের[amish devgan] বিরুদ্ধে গন এফ আই আর করার জন্য দাবী তুলেছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck