আজ সাফুরা জারগারের জামিন নিয়ে কি বলল দিল্লি পুলিশ

22nd June 2020 8:18 pm ভারত
আজ সাফুরা জারগারের জামিন নিয়ে কি বলল দিল্লি পুলিশ


বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খোলার খেসারত দিতে হচ্ছে সাফুরাকে।সিএএ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দিল্লি হিংসায় ইন্ধন জোগানোর অভিযোগে গত ১০ এপ্রিল ২৭ বছর বয়সি সফুরাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা সফুরা।

“কিন্তু বিজেপির নেতা কপিল মিশ্রা যেভাবে দিল্লিতে হিংসা ছড়ালেল তাসত্ত্বেও তিনি বুক ফুলিয়ে ঘুরছেন।এটাই হল বিজেপির রাজনিতি।বিজেপির বিরুদ্ধে বললেই বা আন্দোলন করলেই যেতে হবে জেল“-দাবী বিরোধীদের।দিল্লি পুলিশ বলে গত ১০ বছরে দিল্লির তিহাড় জেলে ৩৯ জন মহিলা সন্তান প্রসব করেছেন। তাই শুধুমাত্র গর্ভবতী বলেই কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে লঘু করে দেখা উচিত নয়।

পটিয়ালা হাউসকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্টে নতুন করে সফুরার জামিনের আর্জি জানান সফুরার আইনজীবী। সেখানে সোমবার সফুরাকে নিয়ে রিপোর্ট জমা দেয় দিল্লি পুলিশ। তাতে বলা হয়, ‘‘জঘন্য অপরাধের জন্য জেলবন্দি কেউ গর্ভবতী হলে তাঁদের বিশেষ ছাড় দিতে হবে, এমন কোথাও বলা নেই। বরং জেল হেফাজতে থাকাকালীন তাঁদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং চিকিৎসার সুবিধার কথা বলা রয়েছে আইনে। ’’

সফুরা জারগারের জামিনের পক্ষে আর্জি জানায় মার্কিন আইনজীবী সংগঠন ‘দ্য আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশন সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস’ও। একটি বিবৃতি প্রকাশ করে তারা জানায়, সফুরাকে জেলে বন্দি করে রাখা আন্তর্জাতিক আইন-বিরোধী কাজ মঙ্গলবার সফুরার জামিনের আর্জির পরবর্তী শুনানি করবে দিল্লি হাইকোর্ট।

 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck