খড়গপুরের তৃণমূল নেতাদের আক্রমন করলেন দিলিপ ঘোষ

27th June 2020 5:12 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়গপুরের তৃণমূল  নেতাদের আক্রমন করলেন দিলিপ ঘোষ


শুক্রবার খড়্গপুর শহরে ভগবানপুরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ  বলেন, এখানকার তৃণমূল নেতারা কোনও নিয়ম মানেননি। ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে বিপন্ন করেছেন। এই শহর এখন করোনা হাবে পরিণত হয়েছে। এদিন মেদিনীপুরে অপর এক কর্মসূচিতে তিনি বলেন, খড়্গপুরে করোনার জন্য চেয়ারম্যান, কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করা উচিত। কারণ, তাঁরা কেউ সামাজিক দূরত্ববিধি মানেননি। লকডাউনও মানেননি।

রাজ্য সভাপতি বলেন, খড়্গপুর পুরসভার বিদায়ী ভাইস চেয়ারম্যান নিজামুদ্দিন ফেরতদের নিয়ে সাতদিন ধরে শহরে ঘুরে বেরিয়েছেন। বিদায়ী চেয়ারম্যানও সব জায়গায় গিয়েছেন। পুলিস আধিকারিকরা একসঙ্গে গল্প করেছেন, খেয়েছেন। এভাবে সারা শহরে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।  আমাদের দলের পক্ষ থেকে খড়্গপুরের পাড়া, মহল্লায় বাড়ির দরজা স্যানিটাইজড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিলীপবাবু বলেন, করোনা, উম-পুনের জোড়া ধাক্কায় যেটুকু সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার প্রয়োজন ছিল, সেটা রাজ্য সরকার করেনি। কেন্দ্রীয় সরকার পাশে দাঁড়িয়েছে। মানুষের বাড়ি-ঘর ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু, তাঁরা ক্ষতিপূরণের টাকা পাচ্ছেন না। যাঁদের বাড়ি ভালো রয়েছে, তাঁরা ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। বঞ্চিত মানুষের চোখের সামনেই এসব হচ্ছে। মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে তাঁরা রাস্তায় নামছেন। প্রতিটি পঞ্চায়েতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা টাঙানোর জন্য আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছি।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck