নিয়োগ স্থগিত, রেলে লোপ পাবে শূন্য পদও

3rd July 2020 8:36 am ভারত
নিয়োগ স্থগিত, রেলে লোপ পাবে শূন্য পদও


খরচ বাঁচানোর লক্ষ্যে এ বার নিরাপত্তা সংক্রান্ত পদ ছাড়া বাকি নতুন পদে নিয়োগ স্থগিত রাখতে নির্দেশ দিল রেল বোর্ড। একইসঙ্গে যে পদগুলি ফাঁকা পড়ে রয়েছে তার অন্তত পঞ্চাশ শতাংশ লোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। 

ইউপিএ আমল থেকেই রেলের প্রায় কয়েক লক্ষ পদ খালি পড়ে রয়েছে। গত বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় মাপের নিয়োগের ঘোষণা করেছিল রেল। তারপর থেকে সেই অর্থে বড় মাপের কোনও নিয়োগ হয়নি রেলে। কোভিডের কারণে যাত্রিভাড়া থেকে রেলের আয় কার্যত তলানিতে এসে ঠেকায় ব্যয় সঙ্কোচের লক্ষ্যে গত মাসে একাধিক পদক্ষেপ করেছিল রেল মন্ত্রক। আজ পরবর্তী ধাপে দেশের সব জ়োনকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত নতুন সব পদ সৃষ্টি বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে নতুন নিয়োগও। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত দু’বছরে নিয়োগের প্রশ্নে যে পদগুলি তৈরি হয়েছিল সেগুলির সম্পূর্ণ পর্যালোচনা করবে প্রত্যেক জ়োন। যদি ওই পদগুলিতে এখনও নিয়োগ না হয়ে থাকে তাহলে সেই পদগুলি বাতিল করে দিতে হবে। 

গত মার্চ মাসে রেল সংসদে জানিয়েছিল বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রায় ২.৮৭ লক্ষ পদ খালি রযেছে। আজ বোর্ডের চিঠিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত পদ ছাড়া অন্য যে সমস্ত পদ খালি রয়েছে তার অন্তত ৫০ শতাংশ এক ধাক্কায় লোপ করতে হবে। মন্ত্রকের যুক্তি, ব্যায়সঙ্কোচ করতেই ওই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বোর্ডের ওই নির্দেশ কঠোর ভাবে মানতে বলা হয়েছে সব জ়োনকে। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই নিয়োগ প্রশ্নে টালবাহানা চলছে রেলে। এই সরকারের লক্ষ্যই হল ১৪ লক্ষ কর্মী থেকে রেলকে কমিয়ে ১০ লক্ষ কর্মীতে নিয়ে আসা। সেই উদ্দেশ্যেই ওই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এতে পরিচালন ব্যবস্থা, পরিষেবা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস করা হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck