তিন বিধায়ককে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

4th July 2020 7:08 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
তিন বিধায়ককে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর


দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃদু ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন শালবনির বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো, গড়বেতার বিধায়ক আশিস চক্রবর্তী এবং নারায়ণগড়ের বিধায়ক প্রদ্যোত ঘোষ। একুশের ভোটে জিততে হবে, মনে করিয়ে দিয়ে বিধায়কদের à¦œà¦¨à¦¸à¦‚যোগ আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন দলনেত্রী। 

শুক্রবার দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা, সাংসদ, বিধায়কদের নিয়ে ভিডিয়ো বৈঠক করেছেন মমতা। সেখানে একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। সেই বৈঠকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রসঙ্গও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে বলে দলের এক সূত্র জানাচ্ছে। শালবনিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল নতুন নয়। বিধায়ক শ্রীকান্তের সঙ্গে দলের ব্লক সভাপতি নেপাল সিংহের ‘বিরোধ’ রয়েছে বলে দলের অন্দরেই গুঞ্জন। ওই সূত্র জানাচ্ছে, এ দিন দলনেত্রী মতবিরোধ দূরে সরিয়ে রেখে এক হয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। শ্রীকান্তকে মমতা বলেছেন, ‘‘তুই এখনও নেপালের সঙ্গে ঝগড়া করছিস? এক হয়ে কাজ কর।’’ শ্রীকান্ত না কি বলেছেন, ‘‘দিদি, আমাদের কোনও ঝগড়া নেই!’’ বিধায়ককে এলাকায় আরও সময় দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলনেত্রী। গড়বেতার বিধায়ক, নারায়ণগড়ের বিধায়ককেও একই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এর আগে এই দুই বিধায়ককে নিজ নিজ বিধানসভা এলাকার ভোটার তালিকায় নাম তোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। এ দিন প্রদ্যোৎকে দলনেত্রী বলেছেন, ‘‘এখনও কেন নারায়ণগড়ের ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়নি?’’ পরে প্রদ্যোৎ দলনেত্রীকে জানিয়েছেন যে   à¦¤à¦¿à¦¨à¦¿ নারায়ণগড়ের ভোটার তালিকায় নাম তুলে ফেলেছেন। আশিসকে মমতা বলেছেন, ‘‘কী সব শুনছি? এখনও গড়বেতার ভোটার তালিকায় নাম তুলিসনি কেন? ভোটে জিততে হবে তো?’’ আশিসও দলনেত্রীকে জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে গড়বেতার ভোটার তালিকায় নাম তুলে ফেলেছেন। ‘‘ভোটে জেতার ইচ্ছে নেই না কি?’’ জেলার একাধিক বিধায়ককে এ ভাবেও ভর্ৎসনা করেছেন তৃণমূলনেত্রী বলে দলের এক সূত্রে খবর।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck