কুখ্যাত ডন বিকাশ দুবে কি ভাবে ধরা পড়ল তা জেনে নিন

9th July 2020 9:01 pm ভারত
কুখ্যাত ডন বিকাশ দুবে কি ভাবে ধরা পড়ল তা জেনে নিন


বিকাশের গ্রেফতারিতে প্রথম যিনি সাহায্য করেছিলেন তিনি ওই মন্দির চত্বরের এক ফুল বিক্রেতা। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দোকানে ফুল কেনার সময় মাস্ক খুলেছিল বিকাশ। তখনই তিনি চিনতে পারেন তাকে। বিকাশ দোকান থেকে চলে যাওয়ার পর খবর দেন নিরাপত্তারক্ষীদের। এর পরেই সতর্ক হয়ে যান নিরাপত্তারক্ষীরা। মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী  ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন ওই চত্বরেই। তিনি বলেন, ‘‘আমি প্রসাদ বিতরণের শুরু করতে যাচ্ছিলাম। সেই সময় এক ব্যক্তি আমাকে জিজ্ঞেস করল, ব্যাগ আর জুতো কোথায় রাখব। আমি দেখিয়ে দেওয়ার পর সেখানে সঙ্গের জিনিসপত্র রেখে ভিতরে ঢুকল ওই ব্যক্তি। তার পরেই দেখলাম নিরাপত্তারক্ষীরা ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। ওই ব্যক্তির উপর কড়া নজর রাখছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর মন্দির থেকে বার হতেই তাঁকে ধরে ফেলেন।’’

ধরে ফেলার আগে শেষ মুহূর্তেও অবশ্য অনেক চাল খাটিয়েছেন বিকাশ। মহাকাল মন্দিরের গেটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা হোমগার্ডরা জানিয়েছেন, পরিচয় জানতে চাইলে বিকাশ প্রথমে ভুয়ো একটি নাম বলে। গ্বালিয়র থেকে পুজো দিতে এসেছে বলে জানায়। নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কাধাক্কি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলেও দাবি ওই হোমগার্ডদের। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। নিরাপত্তারক্ষীরা বিকাশকে ধরে সেখানেই বসিয়ে রেখে স্থানীয় থানায় খবর পাঠান। পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায় তাকে। আর সেই থানায় নিয়ে যাওয়ার সময়ই বলিউড স্টাইলে নিজের পরিচয় দেয় বিকাশ। নিশ্চিত হয় পুলিশও।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck