নিউজ ডেস্কঃ দেশের অর্থনীতির অবস্থা সঙ্গীন। কী করে দেশে রোজগার বাড়বে, এই ব্যাপারে কোনও উত্তর নেই প্রধানমন্ত্রীর কাছেও। তাই তারা নজর ঘোরাচ্ছেন। নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিরোধী বৈঠক থেকে বেরিয়ে এ কথাই বললেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধী। বিজেপি ক্ষমতাসীন নয় এমন রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠক থেকে অনুরোধ করা হল, এনআরসি,এনপিআর-এর কাজ শুরু না করতে।
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে রণকৌশল ঠিক করতে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর ডাকে সোমবার বিরোধীদের বৈঠক বসল। উদ্দেশ্য ছিল, দেশের বর্তমান বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ভাবে জোটবদ্ধ হয়ে লড়া যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে, তা ঠিক করা। বৈঠক শেষ করে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া বলেন, ‘নৈরাজ্যের রাজত্ব চলছে দেশে। প্রতিনিয়ত খাটো করা হচ্ছে সংবিধানকে। সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে মানুষে মানুষে বিভেদের রাজনীতি করছে শাসক দল’।
এ দিন নাম করেই প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সনিয়া। তাঁর কথায়, ‘‘প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের বিভ্রান্ত করছেন। তাঁদের নিজেদের কথায় কোনও সামঞ্জস্য নেই। বরং উস্কানিমূলক মন্তব্য বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দমন পীড়ণ।’’ উচ্চশিক্ষা কেন্দ্রগুলিতে বারবার নৈরাজ্যের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিয়েও মুখ খোলেন সনিয়া। তাঁর মতে, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া মিলিয়া, ইলাহাবাদে, জেএনইউ-তে হামলা করিয়েছে বিজেপিই। ‘দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বর্তমান সরকার’, বলছেন সনিয়া।
সমলোচনায় সরব হয়েছেন রাহুল গাঁধীও। চ্যালেঞ্জ ছোড়ার ভঙ্গিতে রাহুল বলছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী বেকারত্ব নিয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যান’’। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদী সেই কাজ করতে সক্ষম হবেন না।