পশ্চিম মেদিনীপুরে বিভিন্ন স্থানে লকডাউন

12th July 2020 5:32 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুরে বিভিন্ন স্থানে লকডাউন


শনিবার খড়্গপুর শহরের বিধায়ক কার্যালয় সংলগ্ন ওল্ড সেটলমেন্ট এলাকা নতুন করে গণ্ডিবদ্ধ তালিকাভুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওই এলাকা গণ্ডিবদ্ধ তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল। শুক্রবার এই নিয়ে সরব হয় বিরোধীরা। অনেকেই দাবি করেন, ওই এলাকার একশো মিটারের মধ্যে বিধায়ক কার্যালয় হওয়ায় সেটিকে গণ্ডিবদ্ধ  তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেটি গণ্ডিবদ্ধ হয়। তবে তারপরেও আক্রান্ত পরিবারের কোয়ার্টার সংলগ্ন ২৫ মিটার এলাকা ছাড়া ওই এলাকার বাকি অংশে লকডাউন পালনের কোনও ছাপ দেখা যায়নি। তবে গত দু’দিনের তুলনায় শনিবার রেলশহরে সামগ্রিক ভাবে পুলিশি তৎপরতা ছিল বেশি।

নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় রাজগ্রাম ও হিজলি স্টেশন সংলগ্ন রেল কোয়ার্টার এলাকাও এখন গণ্ডিবদ্ধ হয়েছে। সবমিলিয়ে খড়্গপুর শহরে এখন ১১টি গণ্ডিবদ্ধ এলাকা আছে। খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী সামসুদ্দিন আহমেদের, “ওল্ড সেটেলমেন্টের ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকা ভুলবশত তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল। কিন্তু ওই এলাকাটি গণ্ডিবদ্ধই রয়েছে। লকডাউনও পালন হচ্ছে। মহকুমাশাসক সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের লকডাউন পালনের কাজে নামিয়েছেন।’’

শনিবার দাসপুরেও নতুন করে দু’জন আক্রান্ত হয়েছে। সেই সূত্রে ঘাটাল মহকুমায় এখন গণ্ডিবদ্ধের সংখ্যা বেড়ে হল ২৭। এদিন ঘাটাল মহকুমার গণ্ডিবদ্ধ এলাকাগুলিতেও পুলিশের তৎপরতা দেখা গিয়েছে। অনেক বাড়িতেই নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন তাঁরা। এদিন ঘাটাল শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, থুতনিতে মাস্ক ঝুললেও এবার ধরা হবে। 

ঘাটালের মহকুমা পুলিশ অফিসার অগ্নীশ্বর চৌধুরী বলেন, “ঘাটাল মহকুমায় গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় পুরো মাত্রায় লকডাউন চলছে। প্রত্যেক এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের টিম  প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করেছে।” তিনি জানান, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লকডাউন অমান্য করায় ঘাটাল মহকুমা জুড়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার দাসপুরে যে দু’জনের রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে তাঁরা  পরিযায়ী শ্রমিক। ৬ জুলাই মুম্বই থেকে  ফিরেছিলেন তাঁরা। ৯ জুলাই দাসপুর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে তাঁদের লালারস নেওয়া হয়। মহকুমা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এখন 

দাসপুরে à§§à§« জন সক্রিয় করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন। ঘাটাল ও চন্দ্রকোনায় অবশ্য কোনও সক্রিয় করোনা রোগী এখন নেই। 





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck