প্রসূতি করোনায় আক্রান্ত

14th July 2020 10:02 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
প্রসূতি করোনায় আক্রান্ত


বৃহস্পতিবার কোলাঘাটের খন্যাডিহি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এক অন্তঃসত্ত্বাকে কোলাঘাটে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করান তাঁর পরিজন। মহিলার কোনও করোনা  উপসর্গ ছিল না। তবে তাঁর অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা থাকায় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা সংগ্র করেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁরা ওই রিপোর্ট আসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু মহিলার শারীরিক অবস্থার অবনিত হওয়ায় শনিবার দুপুরে  অস্ত্রোপচার করা হয় মহিলার। তিনি এক সন্তানের জন্ম দেন।

রবিবার দুপুর থেকে ওই নার্সিংহোমেই প্রসূতির করোনার প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয় বলে দাবি পরিবারের। নার্সিংহোমের স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ বেলাল হোসেন বলেন, ‘‘কোরোনা রিপোর্ট না দেখে কোনও রোগীকে আমরা সিজার করি না। কিন্তু ওই সন্তানসম্ভবা মহিলার শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয়েছিল যে আমরা শনিবার সিজার করতে বাধ্য হই। পরে তাঁর পজ়িটিভ রিপোর্টের ব্যাপারে  বিডিও-কে জানাই। উনি জানিয়েছেন যে, আমাদের এখানে রেখেই চিকিৎসা করতে হবে। আমাদের নার্সিংহোমে কোভিড চিকিৎসার কোনও পরিকাঠামো নেই। আপাতত  প্রসূতি আইসোলেশনে রেখে করোনা প্রাথমিক শুশ্রূষা à¦•রা হচ্ছে।’’ গোটা ব্যাপারে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘ওই পরিবারের প্রথমেই সরকারি হাসপাতালে আসা উচিত ছিল। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’’





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck