দিল্লীর দাঙ্গায় মুসলিমদের রক্ষা করে নি পুলিশ , চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

19th July 2020 8:38 pm ভারত
দিল্লীর দাঙ্গায় মুসলিমদের রক্ষা করে নি পুলিশ , চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট


দিল্লি হিংসায় মুসলিমদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ পুলিশ। প্রায় পাঁচ মাস পর রিপোর্ট দিয়ে জানাল দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশন। কেন্দ্রের নির্দেশেই রিপোর্ট তৈরি করেছে তারা। জানাচ্ছে, বেছে বেছে মুসলিমদের ঘর–বাড়ি জ্বালানো হয়েছে ‘‌দাঙ্গা’য়। অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে টানা তিন–চার দিনের হিংসায়। অধিকাংশই মুসলিম। আক্রান্ত কমপক্ষে ২০০ জন, রিপোর্টে বলছে ওই সংখ্যালঘু কমিশন। 
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিল গোটা দেশ। ক্যা–বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুই ছিল রাজধানীর শাহিনবাগ। পুলিশ–বিজেপি অস্বীকার করলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের নিশানা করে কপিল মিশ্রের ‘‌বিষাক্ত’ ভাষণের পরই হিংসার সূত্রপাত হয় রাজধানীতে। একেবারে ছক কষে মুসলিমদের ঘরবাড়ি, দোকান চিহ্নিত করে ভাঙচুর চালানো হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ‘‌দাঙ্গা’য় ১১টি মসজিদ, ৫টি মাদ্রাসা, কবরখানা তছনছ করা হয়েছে। ক্যা–বিরোধী আন্দোলন বন্ধ করতেই পুলিশের সাহায্য নিয়ে হামলা চালিয়েছে ক্যা–সমর্থকেরা। ঘরবাড়ি মুসলিমদের জ্বললেও তাঁদের বিরুদ্ধেই মামলায় দায়ের করেছে পুলিশ, রিপোর্টে স্পষ্ট বক্তব্য কমিশনের। ‘‌দাঙ্গা’‌র সময়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখেছে, ‘‌দাঙ্গাবাজ’দের রোখেনি পুলিশ।‌ প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান তুলে দাবি রিপোর্টে।   ‌





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck