ডঃ কাফিল খানের মুক্তি চায় বামপন্থীরা

20th July 2020 1:17 pm ভারত
ডঃ কাফিল খানের মুক্তি চায় বামপন্থীরা


ভারাভারা রাওয়ের মতোই চিকিৎসক কাফিল খানের মুক্তির দাবিতে এ বার সামাজিক মাধ্যমে সরব হল নানা বামপন্থী সংগঠন। ‘রিলিজ আওয়ার ডক্টর কাফিল’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে রবিবার দিনভর টুইটারে দাবি তোলেন বাম নেতা-কর্মীরা। দলের পাশাপাশি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিও ছিল এই বিষয়ে সরব। কাফিলের উপর থেকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের ধারা প্রত্যাহারের দাবিও করেছেন বাম নেতারা। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের তরফে ঐশী ঘোষের প্রশ্ন, বারবার নিরপরাধের সাজা হবে কেন? জনতার কাছে প্রতিবাদের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। কাফিলের মুক্তির দাবি করেছেন অভিনেত্রী কঙ্কনা সেনশর্মাও। এর আগে করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবিতেও সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছিল এসএফআই-সহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। ‘টুইটার ট্রেন্ড’ অনুযায়ী, তখনও সাড়া মিলেছিল ভালই।

মুসলিম সংগঠন গুলোও সোশ্যাল মিডিয়াতে কাফিল খানের মুক্তির জন্য আবেদন করছেন । এখন অপেক্ষা কবে তিনি মুক্তি পান ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck