দুই মেদিনীপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

24th July 2020 10:35 am পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
দুই মেদিনীপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে


দুই মেদিনীপুর জেলায় নতুন করে à§§à§©à§­ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। আক্রান্তদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ৮৪ এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের à§«à§© জন রয়েছেন। কোলাঘাটের কোলা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আড়র গ্রামে করোনায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। বিডিওর উপস্থিতিতে সর্বদল বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি লাগোয়া মাঠে তাঁর দেহ সৎকার করা হয়। মহিষাদলে গেঁওখালিতে অসুস্থ এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর দিনভর দেহ পড়ে ছিল। সন্ধ্যার পর পুলিসের উপস্থিতিতে বাড়ির পাশেই দেহ সৎকার করা হয়। তমলুক জেলা হাসপাতালে এক চিকিৎসক, একজন নার্স এবং এক স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে এক চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেজন্য বুধবার সন্ধ্যা থেকে ওই হাসপাতালের হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট(এইচডিইউ) এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তমলুক ব্লকের অনন্তপুর গ্রামীণ হাসপাতালের এক নার্স এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আগেই ওই হাসপাতালের এক ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছিল। এছাড়া পটাশপুরে ইছাবাড়ি, রামনগরের ভেড়িবারাঙ্গা, তমলুকের কুমারগঞ্জ, নন্দকুমার, নন্দীগ্রামের দাউদপুর এলাকায় করোনা ধরা পড়েছে। দীঘার দু’জন, কাঁথির সরদা এলাকার দু’জন এবং কাঁথি পুরসভা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একজনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় à§«à§© জন আক্রান্তের মধ্যে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের একজন চিকিৎসক, ঘাটাল ও ডেবরা থানার দু’জন পুলিসকর্মী আছেন। গড়বেতা-à§© ব্লকের সাতবাঁকুড়া পঞ্চায়েত এলাকায় ছ’জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বেলদার সবুজপল্লি এলাকায় দু’বছরের শিশু সহ ছ’জন আক্রান্ত হয়েছেন। বেলদার বিদ্যাসাগরপল্লি এলাকায় এক যুবকের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেশিয়াড়ির অলিনগরে এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের পরিবারের দু’জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দাঁতনের ভাটপাড়া গ্রামে ২২ বছরের এক যুবতীর করোনা ধরা পড়েছে। সবংয়ের গৌড়বাড়ে এক যুবতী এবং তেমাথানি এলাকায় এক যুবক আক্রান্ত হয়েছেন। দাসপুর-à§§ ব্লকের সাড়বেড়িয়া এলাকায় এক কিশোর এবং এক বৃদ্ধা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নন্দনপুর-à§§ পঞ্চায়েতের বালিতোড়া এলাকায় এক কিশোরী সহ ১০ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। রাজনগর-সামাত এলাকায় একজন আক্রান্ত হয়েছেন। ঘাটাল পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কুশপাতা এলাকায় ১৪ বছরের এক কিশোর ছাড়াও আরও দু’জন আক্রান্ত হয়েছেন। সারবেড়িয়া এলাকার একজন আক্রান্ত হয়েছেন। দাঁতন-২ ব্লকের জোয়াগেড়িয়া ফাঁড়ির এক সিভিক ভলান্টিয়ার, একজন এনভিএফ কর্মীও আক্রান্ত হয়েছেন। খড়্গপুর গ্রামীণ এলাকায় শ্যামেশ্বরপুরের এক মহিলা সহ দু’জন আক্রান্ত হয়েছেন। ডেবরা থানার বাকলসা গ্রামের মৃত পোস্ট মাস্টারের পরিবারে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন। লোয়াদহের বরাটি এলাকায় একজন আক্রান্ত হয়েছেন। খড়্গপুর ডিআরএম অফিসের এক আধিকারিক ছাড়াও তিনকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া রেল হাসপাতালের এক সুপারভাইজার, আরপিএফ কর্মী ও তাঁর স্ত্রী-র করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck