করোনায় আক্রান্ত মধ্যপ্রদেশের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ

25th July 2020 7:04 pm ভারত
করোনায় আক্রান্ত মধ্যপ্রদেশের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ


কিছুদিন আগেই কংগ্রেসের বিধায়ক কিনে কংগ্রেসের সরকার ফেলে দিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করে হয়েছিলেন তিনি মুখ্যমন্ত্রী । কিন্তু এই আনন্দ বেশি দিন স্থায়ী হল না । করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ ।

ত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি। করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় সম্প্রতি ডাক্তারি পরীক্ষা করান। শনিবার সকালে সেই রিপোর্ট সামনে এলে দেখা যায়, কোভিড-১৯ ভাইরাস বাসা বেঁধেছে তাঁর শরীরে। শুরুতে বাড়িতেই কোয়রান্টিনে থাকার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কিন্তু চিকিৎসকদের পরামর্শে পরে হাসপাতালে ভর্তি হন।

এই প্রথম দেশের কোনও মুখ্যমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হলেন।  এ দিন সকালে নিজেই সংক্রমণের কথা জানান শিবরাজ। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘‘প্রিয় দেশবাসীকে জানাতে চাই যে, আমার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমার সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁরা করোনা পরীক্ষা করিয়ে নিন। আমার ঘনিষ্ঠরা সকলে কোয়রান্টিনে রয়েছেন। আমি সমস্ত নিয়ম মেনে চলছি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কোয়রান্টিনেই থাকব।’’ এই খবরে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বিজেপির অন্দরমহলে । দিল্লীর অনেক হেবিওয়েট নেতা - মন্ত্রী তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন । তাই আশঙ্কা বেড়ে গেল ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck