রামমন্দিরের ভূমিপূজায় গগৈকে চান অধীর

28th July 2020 1:00 pm ভারত
রামমন্দিরের ভূমিপূজায় গগৈকে চান অধীর


সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকেও অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভূমি পূজায় আমন্ত্রণ জানানো হোক বলে ‘দাবি’ তুললেন অধীর চৌধুরী। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতার যুক্তি, গগৈ রামমন্দির মামলার রায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁকে à§« অগস্টের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে ডাকা না-হলে ‘ঘোর অবিচার’ হবে।

অধীরের এই যুক্তি কতখানি গগৈর পক্ষে, নাকি আসলে তা গগৈর প্রতি কটাক্ষ, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এখন রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ। তাঁর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ রামমন্দিরের মামলার নিয়মিত শুনানির পরে হিন্দুদের পক্ষেই রায় দেয়। সেই রায় নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছিল, তেমনই অবসরের পরেই গগৈকে রাজ্যসভায় মনোনীত করা নিয়েও কম সমালোচনা হয়নি।

শীর্ষ আদালতে এক বার অযোধ্যার বিতর্কিত স্থলের জমির মালিকানা নিয়ে টানাপড়েনের ফয়সালা হয়ে যাওয়ার পরে ভবিষ্যতে এ নিয়ে আর বিতর্ক চাইছে না শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। তাই মন্দির নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ওই অছি পরিষদ যাবতীয় তথ্য এবং ইতিহাস অযোধ্যায় মন্দিরের মাটির নীচে পুঁতে রাখতে চায়। পরিষদের সদস্য কমলেশ্বর চৌপলের দাবি, সময় ধরে তার বিস্তারিত বিবরণ তাম্রপত্রে লিখে মন্দিরের দু’হাজার ফুট নীচে রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck