ঈদে কুরবানি দেওয়া বন্ধের আদেশ উত্তরপ্রদেশে

28th July 2020 6:06 pm ভারত
ঈদে কুরবানি দেওয়া বন্ধের আদেশ উত্তরপ্রদেশে


উত্তরপ্রদেশে ঈদে কুরবানি দেওয়া চলবে না বলে জানিয়ে দিলেন বিজেপি বিধায়ক  à¦¨à¦¨à§à¦¦à¦•িশোর গুর্জর (Nand Kishor Gurjar) । গাজিয়াবাদের লোনি কেন্দ্রের ওই বিধায়কের দাবি, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছর ইদে পশুবলি দেওয়া উচিত নয় মুসলিমদের। আর নেহাতই যদি কুরবানি দিতে হয়, তাহলে নিজের সন্তানকে বলি দিন। নিরীহ পশুগুলিকে মারবেন না।

মসুলিম ধর্মের রীতি বকরি ঈদে কুরবানি দেওয়া । কিন্তু উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার তা হতে দিতে চান না । বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোর বলেন - "ইদে কাউকে কুরবানি দিতে দেখা গেলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি কেউ ভেবে থাকেন, না আমি বলি দেবই। তাহলে নিজের প্রিয় জিনিস, নিজের সন্তানকে বলি দিন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই । কিন্তু পশু হত্যা করা চলবে না "।

প্রসঙ্গত উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকার আসার পর থেকেই যোগী ও তার পুলিশ প্রতিনিয়ত মুসলিমদের উপরে অত্যাচার করে চলেছে । সি এ এ আন্দোলন দমনের নামে পুলিশের অত্যাচারে প্রান দিয়ে হয় বহু নিরহি মুসলিমদের । এখনো অনেকে জেলে বন্দী । ডঃ কাফিল খান এর উপরেও চলছে জেলে অত্যাচার । মুসলিমগণ ৩০% হয়েও তাঁদের ভোট কংগ্রেস , এস পি , বি এস পি দলের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ার কারনে বিজেপি ক্ষমতায় আসার সুযোগ পায় । বহু মুসলিমও অর্থের লোভে পড়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন । এখন সকল মুসলিম সমাজ উতরপ্রদেশে ঈদে কি করবেন তা দেখার ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck