এক মুসলিমকে দিয়ে রামমন্দিরের ভুমিপুজার আমন্ত্রণ শুরু

3rd August 2020 5:33 pm ভারত
এক মুসলিমকে দিয়ে রামমন্দিরের ভুমিপুজার আমন্ত্রণ শুরু


‌ ৫ আগস্ট অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমিপুজো। ৪০ কেজির রুপোর ইঁট ভিতে রেখে নির্মাণের সূচনা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে ৫০ জন ভিভিআইপি সহ ২০০ জন অতিথিকে। অনুষ্ঠানের প্রথম আমন্ত্রণ পত্রটি পেলেন ইকবাল আনসারি। অযোধ্যায় জমি বিতর্ক মামলার অন্যতম মামলাকারী। 
আমন্ত্রণ গ্রহণ করে আনসারি জানালেন, ‘বিশ্বাস করি, এটা শ্রীরামেরই ইচ্ছা ছিল, যে আমিই প্রথম আমন্ত্রণপত্রটা পাব। আমি গ্রহণ করলাম। অযোধ্যায় হিন্দু এবং মুসলিমরা সম্প্রীতিতে বসবাস করে। মন্দিরের ভূমি পুজো করা হচ্ছে, আর সেজন্য প্রধানমন্ত্রীও আসছেন।’‌ আনসারির আশা, এই মন্দির অযোধ্যার ‘‌ভাগ্য’‌ বদলে দেবে। ‘‌মন্দির তৈরি হলে অযোধ্যা আরও সুন্দর হয়ে উঠবে। স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হবে কারণ দেশ–বিদেশ থেকে বহু মানুষ মন্দির দর্শনে আসবেন।’‌ 
আনসারি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, অযোধ্যায় দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ নেই। একের অন্যের প্রতি কোনও ক্ষোভ নেই। তাঁর কথায়, ‘‌দুনিয়া আশায় বাঁচে। আমি আগেই বলেছিলাম, যদি ওখানে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয় এবং আমায় যদি ডাকে, তাহলে আমি অবশ্যই যাব। অযোধ্যায় সব ধর্মের ঈশ্বর রয়েছেন। এটা সাধুদের জায়গা। আমি খুব খুশি, যে রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে।’‌ ভূমিপুজোর পর শুরু হবে মন্দির নির্মাণের কাজ। এখন সেদিকেই চোখ আনসারি সহ গোটা অযোধ্যাবাসীর।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck