টুকরে টুকরে গ্যাং এখন দেশ চালাচ্ছে‌‌ -- থারুর

23rd August 2020 6:57 pm ভারত
টুকরে টুকরে গ্যাং এখন দেশ চালাচ্ছে‌‌ -- থারুর


:‌ ‘‌‌টুকরে টুকরে গ্যাং এখন দেশ চালাচ্ছে‌!‌’‌ বিজেপির ভঙ্গিতেই কেন্দ্রের মোদি সরকারকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। সম্প্রতি ওয়েবিনারে কেন্দ্রের একটি বৈঠক চলাকালীন অ–হিন্দিভাষী শিক্ষক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের বেরিয়ে যেতে বলে আয়ুষ মন্ত্রকের সচিব রাজেশ কোটেচা। সেই ঘটনায় গোটা দেশজুড়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই ইস্যুতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উদ্দেশে টুইটারে লেখেন, ‘‌হিন্দি না জানা তামিলদের ওয়েবিনার থেকে বেরিয়ে যেতে বলছেন ভারত সরকারের একজন সচিব। এটা অস্বাভাবিক!‌ কেন্দ্রের যদি ন্যূনতম শিষ্টাচার বোধ থাকে, তাহলে এখনই ওই সচিবকে সরিয়ে ওই পদে একজন তামিল সচিবকে বসানো উচিত। ক্ষমতায় থাকা টুকরে টুকরে গ্যাং কি এখন রাষ্ট্রীয় ঐক্য ধ্বংস করতে চাইছে?‌’‌  
ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে কোটেচার সাসপেনশন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তামিল নাড়ুর থুট্টুকুড়ির ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি। তিনি টুইটারে লেখেন, ‘‌কোটেচার বিবৃতিই জানান দিচ্ছে, হিন্দির আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চলছে। এটা প্রচন্ডভাবে নিন্দনীয়’‌। তামিল নাড়ুর শিবগঙ্গা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কার্তি চিদম্বরমও ওই ঘটনার নিন্দা করে বলেছেন, ‘হিন্দিতে আয়ুষের প্রশিক্ষণে তামিল প্রতিনিধিদের অবহেলা করা হয়। ইংরেজি না জানাটা তাও বোঝা যায় কিন্তু এই দম্ভ যে হিন্দি না জানা মানুষদের বেরিয়ে যেতে বলা এবং সবাইকে হিন্দিতে কথা বলতে চাপ দেওয়া ‌এটা কখনও মেনে নেওয়া যায় না।’ দিন কয়েক আগেও কানিমোঝি অভিযোগ করেছিলেন, যখন তিনি এক সিআইএসএফ কর্মীকে বলেছিলেন যে তিনি হিন্দি জানেন না তখন ওই কর্মী তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক ছড়ায়।  ‌





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck