নির্ভয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২০

17th January 2020 ভারত
নির্ভয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২০


নিউজ ডেস্কঃ দিল্লী ধর্ষণ কাণ্ডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নতুন দিনক্ষণ ঘোষণা হল। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি তাদের  ফাঁসির দিন ধার্য করল পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। ওইদিন সকাল ৬টায় তিহার জেলে তাদের ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হবে। দিল্লি সরকার হাইকোর্টে বলেছিল, আইনি কারণে ২২ জানুয়ারি ফাঁসি দেওয়া সম্ভব নয়। তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষ নতুন দিনতারিখ চেয়েছিল। ফলে  নির্ভয়া কাণ্ডে নিম্ন আদালতের জারি করা মৃত্যু পরোয়ানা নির্ধারিত দিনে কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে সেই সব জল্পনা-জটিলতায় ইতি টানল দিল্লির দায়রা আদালতই। জারি করল নয়া মৃত্যু পরোয়ানা। সেই অনুযায়ী ফাঁসির দিনক্ষণ ধার্য করা হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি, সকাল ছ’টা। অর্থাৎ ফের পিছিয়ে গেল নির্ভয়া কাণ্ডের চার দোষীর ফাঁসির দিন। ঘটনাচক্রে সেই দিনই বাজেট পেশ হওয়ার কথা।

নিজেকে ফের নাবালক বলে দাবি করে আজই  সুপ্রিম কোর্টে কিউরেটিভ পিটিশন ফাইল করে পবন শর্মা। সেই আবেদন খারিজ হয়েছে। তার জেরেই ১৪ দিন পর অর্থাৎ পয়লা ফেব্রুয়ারি ফাঁসি দেওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। তবে তারপরও রাষ্ট্রপতির কাছে পবনের প্রান ভিক্ষার আবেদন জানানোর সম্ভাবনা থাকছে। তাতেও কিছুটা সময় পিছোতে পারে বলে অনুমান। এদিকে, তিহার জেলে আত্মহ্ত্যার  চেষ্টা করে আরেক দোষী বিনয় শর্মা। সবমিলিয়ে,  এই মুহূর্তে  বেশ জটিলতায় নির্ভয়ার ধর্ষকদের ফাঁসির সাজাদানের প্রক্রিয়া।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck