আপস বদলির অর্ডার নিয়ে কাজে যোগ দিতে পারছেন না শিক্ষকরা

17th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
আপস বদলির অর্ডার নিয়ে কাজে যোগ দিতে পারছেন না শিক্ষকরা


কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সৌমিত্র সরকার অপসারিত হয়েছেন। এই অবস্থায় শিক্ষকদের বিশেষ বদলি এবং আপস বদলি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। আপস বদলির ৬০০ জন আবেদনকারীর শুনানি (এ ধরনের বদলির ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক) কমিশনে হয়ে গেলেও তাঁরা নতুন স্কুলে যোগ দিতে পারছেন না।
বেশ কিছু জেলার ডিআই’রা বলছেন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নতুন নিয়োগপত্র ছাড়া স্কুলে যোগ দিলে তাঁরা সেই অনুমোদন দিতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এই অনুমোদন ছাড়া বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন না শিক্ষকরা। আবার এসএসসিতে গেলে তাঁরা শুনছেন, কাজে যোগ দিয়ে দিন। শুনানির আদেশনামা দেখালেই চলবে। কিন্তু ডিআই’রা তা মানছেন না। ধনেখালির এক শিক্ষক বলেন, এসএসসিতে শুনানির পরে তো একমাসের সময়সীমা থাকে। তারমধ্যেই কাজে যোগ দিতে হয়। কিন্তু এসব দোলাচলে শিক্ষকরা যোগ দিতে পারছেন না কাজে। দু’হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ জনের শুনানি হয়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদে গেলে বলা হয়েছে, এ নিয়ে শিক্ষা দপ্তরের মতামত চাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ফাইল এলেই জানানো হবে। এদিকে, আমাদের ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন জায়গায় যোগ দিতে হবে। নাহলে সেই আদেশ বাতিল হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। তবে, এই সমস্যা নিয়ে আধিকারিকদের মধ্যেও কিছুটা ধন্দ তৈরি হয়েছে। সাধারণত, আপস বদলির ক্ষেত্রে নতুন করে নিয়োগপত্র প্রয়োজন হয় না। অর্ডার দেখালেই চলে। কিন্তু পর্ষদ এখন স্কুল শিক্ষকদের নিয়োগকারী সংস্থা। তাই এক্ষেত্রেও সেটা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিকে, বিশেষ বদলির কাজকর্মও আটকে রয়েছে। বিকাশভবন থেকে আগস্টে যাঁদের নামে ছাড়পত্র এসেছে, সেই শিক্ষকদের জন্য ডিআইদের কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। তারপরে লাইনে থাকা শিক্ষকদের বদলির বিষয়টি এসএসসির মাধ্যমে এগতে এখনও ঢের দেরি। এরই মধ্যে অপসারিত হতে হয়েছে চেয়ারম্যানকে। তাই, গোটা বিষয়টি আরও পিছিয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা শিক্ষকদের।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck