কমিউনিটি রেডিয়োর মাধ্যমে পড়ানো হবে স্কুলপড়ুয়াদের

26th August 2020 8:39 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
কমিউনিটি রেডিয়োর মাধ্যমে পড়ানো হবে স্কুলপড়ুয়াদের


করোনা সতর্কতায় স্কুল-কলেজ বন্ধ। ক্ষতি হচ্ছে পড়াশোনায়। এই পরিস্থিতিতে স্কুলপড়ুয়াদের স্বার্থে কমিউনিটি রেডিয়োর মাধ্যমে তাদের শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানালেন রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী।

মঙ্গলবার কমিশনের চেয়ারপার্সন-সহ চার সদস্যদের দল জেলায় আসেন। করোনা কালে স্কুলপড়ুয়াদের পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নাবালিকা বিয়ের চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ। নাবালিকা বিয়ে ও শিশুশ্রম বন্ধ করার ক্ষেত্রে প্রশাসন-পুলিশ, বিভিন্ন  দফতরের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে এদিন তমলুকে জেলাশাসকের দফতরে কমিশনের সদস্যরা বৈঠক করেন। বৈঠকে  নাবালিকাদের বিয়ে বন্ধ করতে জেলাপ্রশাসন ও পুলিশ ভূমিকা নিয়ে নিয়ে রিপোর্ট পেশ করেন জেলাশাসক। এ ছাড়াও নাবালিকা অপহরণ ও শিশুশ্রমিক নিয়োগ বন্ধ করার ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে সে বিষয়েও রিপোর্ট দেওয়া হয় কমিশনের সদস্যদের কাছে।

বৈঠকের পরে কমিশনের চেয়ারপার্সন বলেন, ‘‘নাবালিকা বিয়ে বন্ধ করা ও শিশুশ্রম রোধে এই জেলায় প্রশাসন, পুলিশ-সহ বিভিন্ন দফতর ভাল কাজ করেছে।’’ এর পরেই তিনি বলেন, ‘‘স্কুল বন্ধ থাকায় পড়ুয়াদের পড়াশোনার অসুবিধা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রেডিয়োর মাধ্যমে পড়াশোনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে কলকাতার ছাত্রছাত্রীদের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে পড়ানো শুরু হবে।’’ সেই সঙ্গে জেলার পড়ুয়াদের পড়াশোনার জন্য তিনি কমিউনিটি রেডিয়ো এবং কেবল্ টেলিভিশন নেটওয়ার্কের ব্যবহারের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck