ভোটের সময় দলিত বাড়িতে খায়, পরে অত্যাচার করে

2nd October 2020 2:56 pm ভারত
ভোটের সময় দলিত বাড়িতে খায়, পরে অত্যাচার করে


কলকাতা ও শিলিগুড়ি : হাতরাসের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় বিজেপি-শাসিত উত্তরপ্রদেশ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, যারা স্লোগান ও ভোটের জন্য প্রতিশ্রুতি দেয়, এই ঘটনা তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছে।
হাতরাসে দলিত তরুণীর দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় দেশ। প্রতিবাদ চলছে দেশের বিভিন্ন অংশে। আর এই অবস্থায় বিজেপির বিরুদ্ধে আওয়াজ আরও জোরালো করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে ট্যুইট করে প্রতিবাদে সরব হন তিনি। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, হাতরাসে এক দলিত তরুণীর সঙ্গে যে লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে, তা নিন্দার ভাষা নেই। আরও লজ্জাজনক হল, যেভাবে জোর করে পরিবারের সম্মতি ছাড়াই ওই তরুণীর সৎকার করা হয়েছে।
এরপর প্রতিবাদের সুর আরও চড়া করেছেন উত্তরবঙ্গের অনুষ্ঠান মঞ্চে। যেখানে বলেছেন, সীতাকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়েছিল। আর আজ দেখুন উত্তরপ্রদেশে শুধু ধর্ষণ নয়, নির্যাতিতার দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হল! মুখ্যমন্ত্রী সামনে আনেন বিজেপি নেতাদের দলিত পরিবারের ঘরে গিয়ে খাওয়া-দাওয়ার ঘটনাকে। হিন্দিতে বক্তব্য রেখে বলেন, ভোটের সময় লোক দেখিয়ে দলিত পরিবারের ঘরে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করে। কিন্তু সে খাবার বাইরে থেকে নিয়ে আসা। তারপর দলিতদের উপর অত্যাচার করে। মারধর করে। আজ দলিতরা কাঁদছে। সংখ্যালঘু, আদিবাসীদেরদের উপর অত্যাচার হয়। উত্তরপ্রদেশের শাসনব্যবস্থা বলে যে কিছু নেই, সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বাংলায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তরা ধরা পড়ে বলে তিনি জানান।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck