চিড়ে খাওয়া দেখেই বুঝে যাই ওরা বাংলাদেশী - বিজেপি নেতা কৈলাস

24th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
চিড়ে খাওয়া দেখেই বুঝে যাই ওরা বাংলাদেশী - বিজেপি নেতা কৈলাস


CAA সমর্থনে একটি সম্মেলনে বৃহস্পতিবার কৈলাস বলেন, সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে একটি অতিরিক্ত ঘর তৈরির কাজ হচ্ছিল। তখন কিছু শ্রমিক তাঁর বাড়িতে কাজ করছিলেন। তাঁদের খাবার দেখে সন্দেহ জাগে কৈলাসের। তাঁরা নাকি চিঁড়ে খাচ্ছিলেন। শ্রমিকদের চিঁড়ে খেতে দেখেই তাঁদের বাংলাদেশি বলে সন্দেহ জেগেছে কৈলাসের। সেকথাই তিনি সম্মেলনে বলেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমার সন্দেহ ওঁরা বাংলাদেশি ছিল। দুদিন দেখার পর আমি বাড়ির কাজ বন্ধ করে দিই। আমি পুলিশের কাছে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের করিনি।

প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতার এই মন্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মূলত চিঁড়ে বাংলাভাষীরাই খায় এমনটা নয়। দেশের বহু রাজ্যে এর ভিন্ন ভিন্ন নাম। চাল থেকে তৈরি হওয়া এই খাবার কখনও ভেজে, আবার জলে বা দুধে ভিজিয়ে খাওয়া যায়। কেউ কেউ আবার শুকনোও খান। সুলভ মূল্যের এই খাদ্য ভআরতবর্ষের বহু রাজ্যের মানুষ খান। পুষ্টিগুণে পূর্ণ এই খাবার ধনী-গরিব সব শ্রেণির মানুষের কাছেই গ্রহণযোগ্য খাবার। কিন্তু বিজেপি নেতা খাবারের মধ্যেও বিভাজনের নীতি প্রয়োগ করছেন বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আর চিঁড়ে শুধুমাত্র বাংলাভাষীদের খাবার নয় বা বাংলায় কথা বললেই যে তাঁকে বাংলাদেশি দাগিয়ে দিতে হবে এমনটাও কারণ নয় বলে মত বিরোধীদের।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck