দাড়ি রাখার কারনে বরখাস্ত উত্তরপ্রদেশের মুসলিম পুলিশকর্মী

24th October 2020 8:35 am ভারত
দাড়ি রাখার কারনে বরখাস্ত উত্তরপ্রদেশের মুসলিম পুলিশকর্মী


‌বিভাগীয় অনুমতি ছাড়া মুখে দাড়ি কেন?‌ এক সাব–ইনস্পেক্টরকে সাসপেন্ড করার অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে। বাগপতের রামালা থানার ঘটনা। মুখে দাড়ি রাখার অভিযোগ উঠেছে ওই থানার ইন্তেজার আলি নামে পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। কেন সাসপেন্ড করা হয়েছে, সেবিষয়ে বাগপত পুলিশের জনসংযোগ অফিসার মনোজ সিং বলছেন, পুলিশ বিভাগের নিয়ম, শুধুমাত্র শিখরাই দাড়ি রাখার অনুমতি পান, বাকিদের দাড়ি রাখার নিয়ম নেই। কেউ তা রাখতে চাইলে বিভাগীয় অনুমতি নিতে হয়। ইন্তেজারকে নোটিস পাঠিয়ে বলা হয়েছিল অনুমতি নিতে। কিন্তু তিনি তা করেননি। তারপরই বাগপত থানার সুপার অভিষেক সিং বুধবার তাঁর সাসপেনশনের আদেশ দেন। 
এদিকে ইন্তেজারের দাবি, তিনি গত ডিসেম্বর থেকে অনুমতি চেয়ে আসছিলেন, কিন্তু তাকে তা দেওয়া হয়নি। ঘটনাটিকে ধর্মাচরণের অধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি মৌলানা জুলফিকার। কেন ওই পুলিশকর্মীর আবেদনে কোনও সাড়া দেওয়া হয়নি, প্রশ্ন তোলেন বিরোধী সমাজবাদী পার্টির নেতা সুশীর পাওয়ার।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck