ওমরের দাড়িমুখ ছবি ভাইরাল, দুর্ভাগ্যজনক বললেন মমতা

26th January 2020 ভারত
ওমরের দাড়িমুখ ছবি ভাইরাল, দুর্ভাগ্যজনক বললেন মমতা


জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার একমুখ দাড়িভর্তি ছবি ট্যুইটে ভাইরাল হল। ছবিটিতে তাঁকে চিনতেই পারা যাচ্ছে না। ভাইরাল ওই ছবি দেখে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীরের আর এক বন্দি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, সীতারাম ইয়েচুরি প্রমুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই ছবিতে ওমরকে চিনতেই পারা যাচ্ছে না। আামার খারাপ লাগছে। আমাদের গণতান্ত্রিক সমাজে এমন ঘটনা ঘটা দুর্ভাগ্যজনক। কখন এই অবস্থার সমাপ্ত হবে। ইয়েচুরি লিখেছেন, একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন ধরে আটক করে রাখা হয়েছে। এই ছবি কেন্দ্রীয় সরকারের খারাপ দিকটিকে তুলে ধরেছে। মেহবুবার ট্যুইট অ্যাকাউন্টেও লেখা হয়েছে, বোঝা যাচ্ছে তিনি দীর্ঘ ছ’মাস আত্মীয় পরিজন ছাড়া একাকী বন্দি রয়েছেন। তবে এই ছবি দেখে শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর ট্যুইট, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাসিমুখের ছবি দেখে আমরা আনন্দিত। একই ধরনের কথা বলেচেন কংগ্রেসের সলমন সোজও। বলেছেন, ছবি দেখে মনে হচ্ছে তিনি ছুটি কাটাচ্ছেন।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck