আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন বেহুঁশ তরুণীকে ধর্ষণ

30th October 2020 4:32 pm ভারত
আইসিইউ’তে চিকিৎসাধীন বেহুঁশ তরুণীকে ধর্ষণ


News:  চরম লজ্জার শুধু নয়, পাশবিক। আইসিইউতে ভর্তি যক্ষ্মা আক্রান্ত অচৈতন্য এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে। দিল্লির অদূরে গুরুগ্রামে অভিজাত একটি বেসরকারি হাসপাতালের এই ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠেছে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে। ছ’দিন পর জ্ঞান ফিরে আসার পর ২১ বছরের ওই তরুণী চিঠি লিখে এবং আকারে ইঙ্গিতে এই পাশবিক অত্যাচারের কথা জানান বাবাকে। স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি। তড়িঘড়ি অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় থানায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। à¦¹à¦¾à¦¤à¦°à¦¾à¦¸ কাণ্ডের রেশ না মিটতেই এবার হাসপাতালের ভেন্টিলেটরে চিকিৎসাধীন রোগীকে ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। অভিযুক্তের চরম শাস্তির দাবিতে সরব বিভিন্ন মহল। 
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ অক্টোবর প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়ে ওই তরুণীকে ভর্তি করা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। শারীরিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকরা তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত অচৈতন্য ছিলেন ওই রোগী। সেই সময়ই তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। তরুণীর দেওয়া বয়ান অনুযায়ী অভিযুক্ত বিকাশের খোঁজ শুরু করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, সে ওই হাসপাতালেই কাজ করে। তরুণীর পরিবারের দাবি, ঘটনায় আতঙ্কিত তারা। সরকারি হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসা ও মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হোক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনা মোটেই বরদাস্ত করা হবে না। তদন্তে পুলিসকে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। যদিও, ঘটনার তদন্তে পুলিস হাসপাতালে নির্যাতিতার জবানবন্দি নিতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। চিকিৎসকরা পুলিসকে জানিয়ে দেন, ওই রোগী এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। তদন্তকারী পুলিস অফিসার মকসুদ আহমেদ জানিয়েছেন, তাঁরা হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন। অভিযুক্ত যদি ওই হাসপাতালের কর্মী হয়ে থাকে, তাকে দ্রুত খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck