মাওবাদী হানায় নিহত পরিবারের ১৭ জন চাকরি পেলেন

2nd November 2020 1:06 pm পশ্চিমবঙ্গ
মাওবাদী হানায় নিহত পরিবারের ১৭ জন চাকরি পেলেন


 à¦à¦¾à§œà¦—্রাম: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ঝাড়গ্রাম জেলায় প্রথম দফায় মাওবাদী হানায় নিহত ও নিখোঁজ পরিবারের à§§à§­ জন চাকরিতে যোগ দিলেন। রবিবার সকাল দশটায় ১৭টি পরিবারের সদস্যরা ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিস লাইনে আসেন। এদিন তাঁদের খড়্গপুরের সালুয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের হারানোর ১০ বছর পর চাকরি পেয়ে খুশি পরিজনেরা। মাওবাদী হানায় মৃত ও নিখোঁজ পরিবারের যৌথমঞ্চ চাকরির দাবিতে একাধিকবার ঝাড়গ্রাম শহরে ও জেলাশাসকের দপ্তরে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের দাবি ছিল, মাওবাদী হানায় নিহত ও নিখোঁজ পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরি ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের মৃত ঘোষণা করতে হবে। 
জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম জেলায় মাওবাদীদের হাতে ২৯৫ জন নিহত, ৯১ জন নিখোঁজ এবং ৫০ জন আহত মিলে মোট ৪৩৬ জনের পরিবার রয়েছে।  à¦—ত মাসে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুরে মুখ্যমন্ত্রী মাওবাদী হানায় নিহত ও নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের একজনকে স্পেশাল হোমগার্ডে  à¦šà¦¾à¦•রি ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। পরদিন ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী দমনী শবর, আনম শবর, মঞ্জু মাহাত, শেখ রফিক আলি এই চারজনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন।  à¦®à§à¦–্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর প্রথম দফায় à§§à§­ জনের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। শনিবার ওই à§§à§­ জন পরিবারের সদস্য মেদিনীপুর পুলিস লাইনে গিয়ে পোশাক নিয়ে আসেন। এদিন পুলিসের গাড়িতে করে তাঁদের খড়্গপুরের সালুয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁরা ট্রেনিংয়ে যোগ দেবেন।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck