News: শুভেন্দুর সভা ছিল ‘ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি’-র নামে। নন্দীগ্রামের তেখালির বকুলনগর স্কুলের মাঠের ওই সভায় তৃণমূলের কোনও ব্যানার বা পোস্টার দেখা যায়নি। ছিল না মুখ্যমন্ত্রীর ছবিও। স্বেচ্ছাসেবকরা যে টিশার্ট পরেছিলেন, তাতে ছিল শুভেন্দুর ছবি। সেই মঞ্চ থেকে তিনি রাজনৈতিক কথা বলবেন না বলে বারবার জানিয়েছেন শুভেন্দু। তবে বক্তৃতার শেষে তাঁর ‘জয় বাংলা’, ‘জয় নন্দীগ্রাম’-এর পাশাপাশি ‘ভারতমাতা জিন্দাবাদ’ ধ্বনি দেওয়াকে অনেকে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে মনে করছেন।
তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনার উত্তর এ দিন দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা রাজনৈতিক বিশ্লেষক, তাঁরা হা-পিত্যেশ করে বসে আছেন— আমি এখান থেকে কোনও রাজনৈতিক কথা বলব কি না। আমি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আমি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে বলব। এই পবিত্র মঞ্চ থেকে রাজনীতির কথা বলব না। কোন রাস্তা দিয়ে হাঁটলে আমি এগিয়ে যেতে পারব, কোন রাস্তায় গেলে খানাখন্দে পড়ব না, তা আমি রাজনৈতিক প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে বলব।’’ একই সঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজনীতি করতে গিয়ে কোথায় হোঁচট খাচ্ছি, কোথায় আমার পথ গর্তে ভরা, কোথায় স্বাচ্ছন্দ্যের অভাব হচ্ছে সব বলব। তবে আজ নয়।’’
এ দিন মমতা টুইট করেন, ‘আজ নন্দীগ্রাম দিবস। ‘সূর্যোদয়’-এর নামে বর্বর হিংসার ১৩তম বছর। গোটা বিশ্বে রাজনৈতিক হিংসায় যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। সব সময় শান্তির জয় পাওয়া উচিত’।