দীঘায় মৎস্যজীবীদের জালে ‘পাখি মাছ’

29th January 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
 দীঘায় মৎস্যজীবীদের জালে ‘পাখি মাছ’


কাঁথি: গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের জালে উঠেছে ‘পাখি মাছ’। দীঘা মোহনার বাজারে অদ্ভুত দর্শন এই পাখি মাছকে ঘিরে চর্চা তুঙ্গে ওঠে। প্রায় ১৫ফুট লম্বা ও ৮০কেজি ওজনের এই মাছটির নিলামে দাম ওঠে ১০ হাজার টাকা। সোমবার বিকেলে বড় মাপের এই মাছটি মোহনার বাজারে আসার পর শোরগোল পড়ে যায়। সমুদ্রে ট্রলারে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ার পর মাছটিকে রিকশয় চাপিয়ে দীঘা মোহনার বাজারে নিয়ে আসা হয়। এর সঙ্গে আরও ১২টি ছোট ছোট পাখি মাছও ধরা পড়ে। তবে বিজ্ঞানের ভাষায় এই মাছটির নাম ‘মার্লিন ফিশ’। সামুদ্রিক এই মাছ দেখার জন্য মৎস্যজীবী, স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটক, সকলেই উৎসাহী হয়ে ওঠেন।
মাছটি বাচ্চু বেরার কাঁটায় তোলা হয়। শেষ পর্যন্ত কলকাতার একটি মৎস্য ব্যবসায়ী কোম্পানি ১০হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেয়। জানা গিয়েছে, পাখির মতো ডানা থাকার কারণে এই মাছটির স্থানীয়ভাবে নামকরণ করা হয়েছে পাখি মাছ। দীঘা ফিশারমেন অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস বলেন, সমুদ্রে তো কত রকমের মাছ ধরা পড়ে। এটিও একটি মাছ এবং পাখির মতো দেখতে। এর বিজ্ঞানসম্মত নাম মার্লিন ফিশ। ইতিপূর্বেও এই মাছ একাধিকবার মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়েছে। তবে এবারই প্রথম এত বড় মাছ ধরা পড়ল।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck