ঢালাও নম্বর স্নাতকে, বঞ্চিত হবেন অনেক যোগ্য ছাত্রছাত্রী

19th November 2020 12:01 pm শিক্ষা
ঢালাও নম্বর স্নাতকে, বঞ্চিত হবেন অনেক যোগ্য ছাত্রছাত্রী


কলকাতা: à¦¸à§à¦¨à¦¾à¦¤à¦• স্তরের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বাড়ি থেকেই। ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের কলেজের হাতেই জমা দিয়েছেন উত্তরপত্র। তা মূল্যায়ন করেছেন কলেজের চেনা শিক্ষকরাই। এই ব্যবস্থার ফলে ছাত্রছাত্রীদের যে কতটা ক্ষতি হয়ে গিয়েছে, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন শিক্ষক-অধ্যাপকরা। তাঁদের মধ্যে থেকেই উঠে আসছে ক্ষোভ। কারণ কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান নিজের ছাত্রছাত্রীদের এমন ঢালাও নম্বর দিয়েছে যে বাস্তবের সঙ্গে তার ফারাক অনেকটাই।
দমদমের একটি কলেজে অ্যানথ্রোপলজি বা নৃতত্ত্বের ৪১ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৪০ জনই পেয়েছেন ৯০ শতাংশের উপরে। এ খবর চাউর হতেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকদের চোখ কপালে উঠে গিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, অ্যানথ্রোপলজি এতটাও ‘স্কোরিং সাবজেক্ট’ নয়, যাতে ঢালাও এত ৯০ শতাংশ নম্বর উঠবে। দেখা যাচ্ছে, প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষে তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৯০ শতাংশ তো নয়ই, তার ধারেকাছেও নেই। শুধুমাত্র ফাইনাল ইয়ারের নম্বরের জোরেই তাঁদের মোট প্রাপ্ত নম্বর শতাংশের হিসেবে প্রায় আশি ছুঁইছুঁই। অধ্যাপকদের দাবি, শুধু ছাত্রছাত্রী নয়, তাঁদেরই একাংশের মধ্যে কোথাও গিয়ে সততার অভাব দেখা দিচ্ছে। না-হলে এত নম্বর ওঠার যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অধ্যাপক বলেন, এই জন্য থিওরি এবং প্র্যাকটিক্যাল উভয় ক্ষেত্রেই এক্সটার্নাল এগজামিনার বা বহিরাগত পরীক্ষক এবং পরিদর্শকের প্রয়োজন রয়েছে। নিউ বারাকপুরের একটি কলেজের অ্যানথ্রোপলজির এক শিক্ষক বলেন, অন্তত এ বছরের জন্য প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের নম্বরের ভিত্তিতে মাস্টার ডিগ্রিতে ভর্তি নিলে ভালো হতো।  à¦¸à§‡à¦Ÿà¦¾ না-হলে প্রকৃত মূল্যায়ন হবে না। যে-সমস্ত কলেজ নিজের ছাত্র-ছাত্রীদের ঢালাও নম্বর দেয়নি, সেখানকার পড়ুয়ারা বঞ্চিত হবে। অধ্যাপকদের দাবি যে নেহাতই ফেলনা, তা নয়। মেদিনীপুরের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের প্রার্থী তালিকায় চোখ বোলালে তা আরও স্পষ্ট হবে। বিশ্ববিদ্যালয় যে ২০ শতাংশ আসন বহিরাগত পরীক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করেছে, তার মেধাতালিকায় থাকা অ্যানথ্রোপলজি অনার্সের প্রার্থীদের অনেকের নম্বর ৯০ শতাংশের উপরে। আবার অনেকেরই ৯০ শতাংশের কাছাকাছি নম্বর রয়েছে। এই নম্বর কিন্তু তিনটি বর্ষ মিলিয়ে। তাহলে সহজেই অনুমেয়, চূড়ান্ত বর্ষের তারা কত বিপুল পরিমাণে নম্বর পেয়েছেন, যাতে গড় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নব্বইয়ের আশেপাশে।





Others News

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা


প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি 

*শিশু মনোবিদ্যা *

 

১.শিশু কেন্দ্রিক শিক্ষার জনক- রুশো

২. সমস্যা সমাধান পদ্ধতি - জন ডিউই।

৩.বুদ্ধির দলগত উপাদান তত্ব- থর্ন ডাইক।

৪. বুদ্ধির একক উপাদান তত্ব- স্টার্ন।

৫.বুদ্ধির বহু উপাদান তত্ব-থার্স্টোন।

৬.বুদ্ধির বাছাই তত্ব- থমসন।

৭.বুদ্ধির দ্বি- উপাদান তত্ব- স্পিয়ারম্যান।

.সামাজিক চুক্তি নীতির প্রবক্তা- হেগেল।

৯.কাসা দাই বাম বিনি প্রতিস্টা করেন- মাদাম মন্তেসরি।

১০.শিক্ষক কে বাগানের মালির সংগে তুলনা করেন- ফ্রয়বেল।

১১.শিখনের সক্রিয়া অনুবর্তন তত্ব-স্কিনার।

১২.শিখনের প্রাচীন অনুবর্তন তত্ব- প্যাভলভ।

১৩.শিখনের সমগ্রতা বাদী তত্ব- কোহলার; কফকা; ওয়ার্দিমার।

১৪.শিশু নিকেতন স্থাপন- মন্তেসরি।

১৫.শিশুর নৈতিক বিকাশ তত্ব- কোহলবার্গ।

১৬.শিশুর জ্ঞানমূলক বিকাশ তত্ব- পিয়াঁজে।

১৭.প্রকল্প পদ্বতি- কিল প্যাট্রিক।

১৮.কিন্ডার গার্ডেন পদ্ধতি- ফ্রয়বেল।

১৯.বুদ্ধির প্রাথমিক মানসিক ক্ষমতা তত্ব- থার্স্টোন।

২০.বুদ্ধির 3Dতত্ব-জে.পি.গিলফোর্ড।

২১.মানসিক বয়স ধারণাটি উদ্ভাবন করেন- বিঁনে- সাইমন।

২২.আচরণ বাদের প্রতিষ্ঠাতা- ওয়াটসন।

২৩.শিখনের চিহ্নিতকরণ তত্ব-টলম্যান।

২৪.প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষার কথা প্রথম বলেন- প্লেটো।

২৫.শিখনের প্রচেষ্টা অ ভুল তত্ব- থর্নডাইক।

২৬.প্রথম বুদ্ধির অভীক্ষা তৈরি করেছিলেন- আলফ্রেড বিঁনে সাইমন।

২৭.শিখনের সামাজিক নির্মিতিবাদ - ভাইগটস্কি।

২৮.বুদ্ধির সংগঠন সংক্রন্ত তত্ব- গিল ফোর্ড।

২৯.মন: সামাজিক বিকাশ তত্ব: এরিকসন।

৩০.সমস্যা সমাধান মুলক গবেষনা - থর্ন ডাইক।

( প্রতিদিন দেওয়া হবে প্রশ্ন - উত্তর ) 

--- Tarif Alam 

 


blanck