বাংলায় কথা বলা শিখে বাংলা দখল করতে চান মোদী

20th November 2020 9:03 am ভারত
বাংলায় কথা বলা শিখে বাংলা দখল করতে চান মোদী


নয়াদিল্লি: ভোটের আগে বাঙালির মন জয় করাই লক্ষ্য। তাই বাংলা শিখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এসে নির্বাচনী প্রচারে সভা সমাবেশে তিনি কিছুটা অন্তত বাংলায় বলতেই পছন্দ করেন। এমনকী সম্প্রতি বাংলার জন্য টেলিভিশন বার্তায় ভাষণের শুরু ও সমাপ্তিতে তিনি বাংলা বলেছেন। যদিও শুধুই বাংলা নয়। প্রতিটি রাজ্যেই তাঁর এই একই নিয়ম। স্থানীয় ভাষায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করার উদ্দেশ্যে মোদি কমবেশি বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাকেই রপ্ত করার চেষ্টা করেন। আর প্রত্যেক ক্ষেত্রেই তিনি স্থানীয় ভাষাকে যুক্ত করেন তাঁর মূল ভাষণের সঙ্গে। 
সম্প্রতি বিহারে দেখা গিয়েছে, তিনি ভোজপুরীতে ভাষণ দিয়েছেন একাধিকবার। এই প্রেক্ষিতেই এবার বাংলা শেখার উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধান কারণ, বাংলার সঠিক ও শুদ্ধ উচ্চারণ করতে চান তিনি। এর আগে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ভাষণে কোনও বিশেষ কবিতা বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করলেও উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। কিন্ত পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বিজেপি যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছে প্রচারে, সেখানে সবথেকে বড় ভূমিকাই হবে নরেন্দ্র মোদির। কারণ, বিজেপি স্থির করেছে কোনও মুখকে সামনে রেখে বাংলার ভোটে লড়াই করা হবে না। স্বাভাবিকভাবেই সেই পরিপ্রেক্ষিতে একমাত্র ক্রাউড পুলার হবেন 
মোদি। সেই কারণেই মোদি বাংলা উচ্চারণকে হিন্দিতে লিখে প্র্যাকটিস করছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের আধিকারিক এবং দলের জাতীয় 
স্তরে যে বাঙালি নেতারা আছেন, তাঁদের সাহায্যেই স্ক্রিপ্ট লেখা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, প্রতিটি শব্দের সঠিক ও নিখুঁত উচ্চারণই তাঁর টার্গেট। সঙ্গে বাংলার মনীষীদের নিয়েও তিনি পড়াশোনা বাড়িয়েছেন।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck