আতঙ্কবাদী রামভক্ত গোপালকে পুরস্কৃত করবে হিন্দু মহাসভা

31st January 2020 ভারত
আতঙ্কবাদী রামভক্ত গোপালকে পুরস্কৃত করবে হিন্দু মহাসভা


জামিয়ার পড়ুয়াদের মিছিলে গুলি চালিয়েছে রামভক্ত গোপাল। সেই ঘটনা নিয়ে দেশের রাজনীতি এখন উত্তাল। সেই রামভক্তকেই এবার পুরস্কার দিতে চাইছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু মহাসভা। শুক্রবার হিন্দু মহাসভার পক্ষ থেকেই ঠিক একথাই জানানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে হিন্দু মহাসভার এক নেতা বলেন, ‘‌দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে গুলি চালিয়েছে রামভক্ত গোপাল। তার এই কাজের জন্য আমরা গর্ববোধ করছি। যাঁরা দেশের বিরুদ্ধে কথা বলবেন, তাঁদের আমরা ছেড়ে দেব না। রামভক্তকে আমি নিজে গিয়ে সম্মানিত করব। তাকে পুরস্কৃত করব।’‌ 
বৃহস্পতিবার দুপুরে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সিএএ বিরোধী প্রতিবাদে ছাত্রদের মিছিলে হঠাৎ আবির্ভূত হয় এক যুবক। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্য করে ‘ইয়ে লো আজাদি’ বলে গুলি চালায় অভিযুক্ত ওই যুবক। পাশে পুলিশ থাকলেও নির্বিকার ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় পুলিশকে। পরে অবশ্য তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  দীর্ঘদিন ধরে সিএএ প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে কিছু একটা করার প্রচেষ্টায় ছিল সে। ঘটনার আগে অভিযুক্তের ফেসবুক প্রোফাইলে পাওয়া একের পর এক স্টেটাস সেদিকেই আঙুল তুলছে। দিনের আলোয় জামিয়ার পড়ুয়াদের ওপর জঙ্গিদের মতো আক্রমণকে সমর্থন করছে হিন্দু মহাসভা। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck