ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের প্রথম দিনেই ভোগান্তি গ্রাহকদের, চলবে আজও

1st February 2020 ভারত
ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের প্রথম দিনেই ভোগান্তি গ্রাহকদের, চলবে আজও


কলকাতা: দু’দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের প্রথম দিনেই ভালো সাড়া পড়ল। শুক্রবার বন্ধ ছিল অধিকাংশ এটিএমও। ফলে গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে উঠল। আজ শনিবারও ধর্মঘট চলবে। ফলে সমস্যা আরও বাড়বে। এদিকে আগামীকাল রবিবার ব্যাঙ্কের ছুটি থাকলেও, এটিএমগুলি খুলবে। সেক্ষেত্রে মাসের গোড়ায় টাকা তোলার চাপ বাড়বে এটিএমগুলিতে। সেখানে গ্রাহকের একাংশ প্রয়োজনমতো টাকা পাবেন কি না, তা নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে।
ব্যাঙ্কের কর্মী ও অফিসারদের মূল ন’টি সংগঠন একযোগে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। মোট ১২ দফা দাবিতে ডাকা হয়েছে ধর্মঘট, যার অন্যতম ইস্যু ব্যাঙ্ক কর্মী ও অফিসারদের বেতন বৃদ্ধি। যদি এরপরও ধর্মঘটীদের দাবি না মানা হয়, তাহলে ১১ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ ফের ধর্মঘটের হুমকি দেওয়া হয়েছে। দাবিদাওয়ার বিষয়ে আন্দোলনের জন্য কর্মী ও অফিসারদের সংগঠনগুলি একত্রিত হয়ে গঠন করেছে ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস। ওই ফোরামের সঙ্গে সেন্ট্রাল লেবার কমিশনার এবং ব্যাঙ্কগুলির কর্তৃপক্ষের সংগঠন আইবিএ’র একাধিক বৈঠক হয়। সেখানে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন কর্মচারী ও অফিসাররা। ধর্মঘটীদের মধ্যে থাকা অন্যতম কর্মী সংগঠন অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি রাজেন নগর শুক্রবার বলেন, আমাদের ধর্মঘট অত্যন্ত সফল হয়েছে। অন্তত ৯০ শতাংশ এটিএম বন্ধ ছিল এদিন। হাসপাতাল লাগোয়া এটিএমগুলি চালু রাখার উদ্যোগ নিয়েছিলাম আমরা।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck