LIC–র বেসরকারিকরণ করে দিল কেন্দ্র , সাধারণ মানুষ পাচ্ছে ভয় গচ্ছিত টাকা হারাবার

1st February 2020 ভারত
LIC–র বেসরকারিকরণ করে দিল কেন্দ্র , সাধারণ মানুষ পাচ্ছে ভয় গচ্ছিত টাকা হারাবার


‌LIC‌–র বিলগ্নিকরণ বা বেসরকারিকরণের পথে আরও একধাপ অগ্রসর হল কেন্দ্রীয় সরকার। অন্য কোনও সংস্থা বিপাকে পড়লে যে সংস্থা সাহায্য করত, এবার সেই এলআইসি–র শেয়ারই বিক্রি করতে চলেছে কেন্দ্র। অর্থাৎ রেল, বিমানের পর আরও একটি সংস্থার বেসরকারিকরণের পথে একধাপ। ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের পুরো অংশীদারিত্ব নিজেদের হাতে রাখতে নারাজ সরকার। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মল সীতারমণ ঘোষণা করলেন, সরকার এলাআইসির অংশীদারিত্বের কিছু অংশ বিক্রি করতে চায়। তবে কত শতাংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে, তা জানাননি। রাজকোষে ঘাটতি কমানোর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে এলআইসির কোটি কোটি গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। এলআইসির পাশাপাশি আইডিবিআই ব্যাঙ্কেরও অংশীদারিত্ব বিক্রি করা হবে। আরও বেশ কয়েকটি সরকারি সংস্থার অংশীদারিত্ব বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের এই ঘোষণার পরেই এলআইসি কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই সরকারেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। আর সংস্থার কর্মীরা আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck