প্রশাসনিক গাফিলতিতেই মিলল না বর্ধিত পেনশন

4th February 2020 পশ্চিমবঙ্গ
প্রশাসনিক গাফিলতিতেই মিলল না বর্ধিত পেনশন


কলকাতা: à¦œà¦¾à¦¨à§à§Ÿà¦¾à¦°à¦¿ মাসের বর্ধিত পেনশন থেকে বঞ্চিত হলেন রাজ্যের লক্ষাধিক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-অশিক্ষক এবং পুরসভার কর্মী। ২০১৬ সালের à§§ জানুয়ারি থেকে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তদের নয়া বেতনক্রম চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা চার বছর পিছিয়ে ২০২০ সালের à§§ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। সেই সূত্রে ফেব্রুয়ারি মাসের à§§ তারিখে বর্ধিত পেনশনের আশায় ছিলেন স্কুল-কলেজ-পুরসভার অবসরপ্রাপ্তরা। কিন্তু তাঁদের হতাশ করে অর্থ দপ্তরের তরফে পুরনো পেনশনই সংশ্লিষ্টদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। যা নিয়ে কয়েক লক্ষ পেনশনভোগীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ জমেছে। সূত্রের দাবি, বিষয়টি সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকেও উত্থাপিত হয়েছে। অর্থ দপ্তরের কর্তাদের অভিযোগ, স্কুল-শিক্ষা, উচ্চ-শিক্ষা এবং পুর দপ্তরের আধিকারিকের একাংশের গাফিলতির কারণেই মাস পয়লায় নিজেদের হকের বর্ধিত পেনশন থেকে বঞ্চিত হলেন এই অবসরপ্রাপ্তরা। সূত্রের দাবি, আগামী মাসেও এই লক্ষাধিক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী বর্ধিত পেনশন পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
নবান্নের এক শীর্ষ আমলার কথায়, নয়া বেতন কমিশন লাগু হওয়ার পর অর্থ দপ্তরের তরফে বর্ধিত বেতন-পেনশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি রিভিশন অব পে অ্যান্ড অ্যালাউন্স (রোপা) জারি করতে হয়। তারপর অর্থ দপ্তরের মঞ্জুরি নিয়ে সরকার পোষিত স্কুল-কলেজ-পুরসভার বেতন-পেনশন সংক্রান্ত রিভিশন অব পে এবং রিভিশন অব পেনশন সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশনামা জারি করতে হয়। এখন দেখা যাচ্ছে, স্কুল শিক্ষা, উচ্চ শিক্ষা এবং পুর দপ্তরে কর্মরতদের জন্য প্রয়োজনীয় রিভিশন অব পে সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। কিন্তু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বর্ধিত পেনশন সংক্রান্ত আদেশনামা জারিই হয়নি। ফলে অবসরপ্রাপ্ত ওই কর্মীরা চলতি মাসে বর্ধিত পেনশন হাতে পাননি। নবান্নের ওই প্রভাবশালী আধিকারিকের দাবি, এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রসঙ্গটি তোলা হয়েছে। তারপরই স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন তড়িঘড়ি মহাকরণে অর্থ দপ্তরের পেনশন শাখার কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের চাপে অন্য দুই দপ্তরের কর্তারাও সেই পথে এগতে শুরু করেছেন।
অর্থ দপ্তরের আরও এক অফিসারের কথায়, কেন এমন মারাত্মক ভুল হল, তা খতিয়ে দেখা হবে। কারণ, কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্তদের বর্ধিত বেতন-পেনশন সংক্রান্ত মূল সরকারি বিজ্ঞপ্তি বহুদিন আগেই জারি করা হয়েছে। এই দপ্তরগুলি কর্মরতদের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশনামা জারি করলেও কেন অবসরপ্রাপ্তদের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওই কর্তা। বৃদ্ধ-অশক্ত পেনশনভোগীদের এই বঞ্চনা যে আগামী মাসেই দূর হবে, তার কোনও গ্যারান্টি দিচ্ছেন না ওই কর্তা। তাঁর কথায়, সংশ্লিষ্ট তিনটি দপ্তরকে পৃথক পৃথক আদেশনামা জারি করতে হবে। সেগুলি প্রতিটি জেলার ট্রেজারিতে যাবে। তারপর পেনশন ফিক্সেশন হবে। পরবর্তী পর্যায়ে বর্ধিত পেনশন ধার্য হবে। এই দীর্ঘ সরকারি কর্মকাণ্ড সারতে বহুদিন সময় লাগবে। স্বভাবতই আগামী মাসেও এই লক্ষাধিক অবসরপ্রাপ্তরা বর্ধিত পেনশন পাবেন কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck