রান্নার গ্যাসের দাম আবার বাড়াল বিজেপি সরকার

15th December 2020 10:37 am ভারত
রান্নার গ্যাসের দাম আবার বাড়াল বিজেপি সরকার


কলকাতা: ১২ দিনের মাথায় ফের ৫০ টাকা দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের। ফলে ডিসেম্বরেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার প্রতি দাম বাড়ল মোট ১০০ টাকা। ২ ডিসেম্বর রান্নার গ্যাসের দাম ৫০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৬৭০ টাকা ৫০ পয়সা। সোমবার ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের বাজারদর বেড়ে হল ৭২০ টাকা ৫০ পয়সা। গভীর রাতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। তবে এই নজিরবিহীন ও হঠকারী সিদ্ধান্তের কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৩৬ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৩৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। আগের বার দাম বাড়লেও ডিসেম্বরে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ভর্তুকি বাবদ জমা পড়েছে ১৯ টাকা à§«à§­ পয়সা। অক্টোবর এবং নভেম্বরেও ভর্তুকির অঙ্কটা একই ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক মাসের শেষ দিনে নতুন দাম ঘোষণা করে কেন্দ্র। এবারও করেছিল। কিন্তু নজিরবিহীনভাবে তা পরিবর্তন করা হয়। কেন? তা অবশ্য ব্যাখ্যা করেনি সরকার। যেমন ব্যাখ্যা করা হয়নি নভেম্বরে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বাড়লেও রান্নার গ্যাসের দর অপরিবর্তিত থাকার বিষয়টিও। বিশেষজ্ঞ এবং ডিলারদের একাংশের অবশ্য বক্তব্য, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গত মাসে বাণি঩জ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় বিহারে বিধানসভা ভোট থাকায় গৃহস্থের সিলিন্ডারে তা কার্যকর করার সাহস দেখায়নি সরকার। সেক্ষেত্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকত। ফলে ভোট মিটতেই দাম বাড়ানো হল। কিন্তু ভর্তুকির এই হাল কেন? দীর্ঘদিন ধরেই ন্যায্য টাকা না মেলার অভিযোগ উঠছে। তবে গত দু’মাস ধরে রান্নার গ্যাসের দাম না বাড়ায় সেদিকে নজর পড়েনি গৃহস্থের। সাধারণ হিসেব বলছে, সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়লে ভর্তুকিও ৫০ টাকা বেশি মিলবে। কিন্তু গত à§§à§© ডিসেম্বর ডেলিভারি পাওয়া রান্নার গ্যাসের জন্য গৃহস্থের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আগের মাসের মতোই ১৯ টাকা à§«à§­ পয়সা। এখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভর্তুকি নির্ধারণের অঙ্কটা ঠিক কী?





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck