চিঠি লিখে তৃণমূল দল ছাড়লেন শুভেন্দু , বিজেপিতে যোগদান করবেন

17th December 2020 4:36 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
চিঠি লিখে তৃণমূল দল ছাড়লেন শুভেন্দু , বিজেপিতে যোগদান করবেন


News: তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক শেষ করে ফেললেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শুভেন্দু। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তৃণমূলের সমস্ত পদ ছাড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। 
তৃণমূল নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়ে শুভেন্দু তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু চিঠিতে লিখেছেন, তিনি তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ সহ সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। তাঁকে যেন অবিলম্বে ওই সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, তাঁকে দল যে সময় দিয়েছে এবং চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে দিয়েছে, তার জন্য তিনি দলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। দলে তিনি যে সময় কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে থাকবে। তবে শুভেন্দুর পদত্যাগপত্র এখনও গ্রহণ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বঙ্গ সফরের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছেদ করলেন শুভেন্দু। যা তাঁর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা আরও স্পষ্ট করল। 





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck