বোরখা পরে ধরনা মঞ্চে মহিলা সাংবাদিককে নিয়ে উত্তেজনা শাহিনবাগে

5th February 2020 ভারত
বোরখা পরে ধরনা মঞ্চে  মহিলা সাংবাদিককে নিয়ে উত্তেজনা শাহিনবাগে


যত কাণ্ড শাহিনবাগে!
দিন কয়েক আগেই গুলি চলেছিল শাহিনবাগে। সেই বন্দুকবাজের রাজনৈতিক পরিচয় ঘিরে  এখনও উত্তাল দিল্লির রাজনীতি। এবার সেই শাহিনবাগেই এক বোরখা পরিহিত মহিলার সন্দেহজনক গতিবিধি ঘিরে ফের ধুন্ধুমার। শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই মহিলাকে সরিয়ে আনে। মজার বিষয় হল, সন্দেহজনক মহিলাকে টুইটারে ফলো করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তিনি কেন খামোখা বোরখা পরে ওই ধরনাস্থলে এলেন, তার সদুত্তর মেলেনি। তবে এই ঘটনার পিছনে বড় মোটিভ থাকার সম্ভবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক মহল।

বুধবার সকালে বোরখা পরে এক মহিলা শাহিনবাগের ধরনাস্থলে হাজির হন। হঠাৎই উপস্থিত মহিলাদের একাধিক প্রশ্ন করতে শুরু করেন। তার এহেন আচরণে উপস্থিত মহিলাদের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ধরে পালটা জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেন মহিলারা। তল্লাশি করতেই উদ্ধার হয় ক্যামেরাও। এরপরই পুলিশের কাছে খবর যায়। তাঁরা এসে ওই মহিলাকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নাম গুঞ্জা কাপুর। তিনি ইউটিউবে একটি চ্যানেল চালান। গুঞ্জাকে আবার টুইটারে ফলো করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্যও। তিনি সঙ্গে কেন ক্যামেরা নিয়ে ঘুরছেন, সংবাদমাধ্যমের তরফে তা জানতে চাওয়া হলে গুঞ্জা বলেন, “সংবাদমাধ্যমের জন্য এটা সেরা মুহূর্ত না।” এদিনের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ওই মহিলাকে রীতিমতো ঘিরে ঘরে ধরনাস্থল থেকে বের করে আনছেন মহিলা পুলিশ কর্মীরা।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck