শুভেন্দুর হাত ধরে কোন কোন বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে যোগদান করলেন দেখে নিন

19th December 2020 6:53 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
শুভেন্দুর হাত ধরে কোন কোন বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে যোগদান করলেন দেখে নিন


News: শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলেজ মাঠের সভায় শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দিলেন ৯ বর্তমান বিধায়ক (MLA) , এক সাংসদ (MP), এক প্রাক্তন সাংসদ (Ex-MP) ও রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী (Ex Minister)। পাশাপাশি যোগ দিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছয় সংখ্যালঘু নেতার দলবদল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

ছয় নেতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামটাই হল কবিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক ছিলেন। শুক্রবারই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর শনিবার অমিত শাহের সভা থেকে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন। এছাড়া রয়েছেন রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতা অধ্যাপক ওইদুল হক, হুগলির প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান, বীরভূমের দাপুটে নেতা করম হুসেন খান, হুগলির নেতা আলমগীর মোল্লা। তাঁদের যোগদান নিসন্দেহে বাংলায় গেরুয়া শিবিরের সংগঠন মজবুত করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে বিজেপির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে বলেই ধারনা ওয়াকিবহাল মহলের।  

শনিবার বিজেপির হাত ধরলেন শুভেন্দু–ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মন্ডল। বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এবং আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া বিধায়কদের মধ্যে আছেন কাঁথি উত্তরের বিধায়ক বনশ্রী মাইতি, ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত, কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু, পূর্ব বর্ধমানের বিধায়ক সৈকত পাঁজা, গাজোলের বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস এবং নাগরাকাটার বিধায়ক সুকরা মুণ্ডা। হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, তমলুকের সিপিআই বিধায়ক অশোক দিন্দা এবং পুরুলিয়ার কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ মুখার্জি এদিন বিজেপিতে যোগ দেন।
কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর সন্ময় ব্যানার্জি, তৃণমূলনেতা কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী এবং ছয়জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা যোগ দেন বিজেপিতে। কলেজ মাঠের সভায় বিজেপির তরফে উপস্থিত ছিলেন, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, লকেট চ্যাটার্জি, রাহুল সিনহা, কৈলাস বিজয়বর্গীয়।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck