আবাসন প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের ২৫ হাজার কোটির তহবিল থেকে বঞ্চিত শুধুই বাংলা

15th February 2020 পশ্চিমবঙ্গ
আবাসন প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের ২৫ হাজার কোটির তহবিল থেকে বঞ্চিত শুধুই বাংলা


কলকাতা: à¦—োটা দেশেই আবাসনের বাজার ভালো নয়। বিক্রিবাটা যতটা হওয়ার দরকার ছিল, ততটা হয়নি। এই খরা কাটাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার ত্রাণ ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। সেই তহবিলের সুবিধা নিয়ে চাঙ্গা হচ্ছে অন্যান্য রাজ্যের আবাসন নির্মাতা সংস্থাগুলি। শুধু বঞ্চিত হয়েছে বাংলা। ওই ফান্ড থেকে এখনও পর্যন্ত কানাকড়িও দেওয়া হয়নি রাজ্যকে। এখানকার আবাসন সংস্থাগুলির ‘অপরাধ’, রাজ্যের আইন মোতাবেক তারা কাজ করছে। আসলে আবাসন সংস্থাগুলিকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সঙ্গে উন্নয়ন নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে দিল্লি, অভিযোগ উঠেছে এমনই। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন আবাসন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমাদের জব্দ করতে না পেরে, কেন্দ্র ভাতে মারতে চাইছে। তারা আর্থিকভাবে বঞ্চনা করবে, এ আর নতুন কী। এটাও সেই বদমায়েশিরই একটা উদাহরণ।
বিগত কয়েক বছর ধরেই ফ্ল্যাটের বিক্রি কমে যাওয়ায় নগদ টাকায় টান পড়ে রিয়েল এস্টেট প্রকল্পগুলির। নির্মিত ফ্ল্যাট বিক্রি না হওয়ায় নির্মীয়মাণ আবাসন প্রকল্পগুলির কাজ থমকে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। টাকার অভাবে যাতে প্রকল্পগুলি বন্ধ না হয়ে যায়, তার জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানায় সংস্থাগুলি। তাতে সাড়া দেয় নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রিয়েল এস্টেটের জন্য একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেন। ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গড়া হয়, যেখানে সরকার নিজে দেয় ১০ হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থাকে।
ফ্ল্যাট কিনতে গিয়ে ক্রেতারা যাতে না ঠকেন, তার জন্য আবাসন প্রকল্পগুলিকে নিয়মে বাঁধতে কেন্দ্রীয় সরকার আইন আনে। তার নাম রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট বা ‘রেরা’। ওই আইন অনুযায়ী রাজ্যগুলিকেও বিধানসভায় আইন পাস করানোর নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। বলা হয়, প্রতিটি রাজ্যে গড়তে হবে একটি করে অথরিটি, যারা ওই আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে। কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, ওই অথরিটির আওতায় থাকা প্রকল্পগুলি ফান্ডের সুবিধা পাবে।
পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রের ওই আইনকে সামনে রেখে গঠন করে হাউসিং ইন্ডাস্ট্রি রেগুলেটরি অথরিটি বা ‘হিরা’। অভিযোগ, রাজ্য যেহেতু ‘রেরা’র বদলে ‘হিরা’ চালু করেছে, তাই কেন্দ্র ওই সুবিধা দিতে রাজি নয়। তাতে কতটা ক্ষতি নির্মাতা সংস্থাগুলির? আবাসন সংস্থাগুলির সর্বভারতীয় সংগঠন ক্রেডাইয়ের বেঙ্গল চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট নন্দু বিলানি বলেন, গোটা দেশ যে সুবিধা পাচ্ছে, আমরা তা পেলাম না। ওই ফান্ড নির্মাতাদের উপকারে আসতে পারত। আমি ক্রেডাইয়ের তরফে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছি। বাজেটের আগে শিল্পমহলের পরামর্শ নিতে কলকাতায় এসেছিলেন অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তাঁকেও আমরা বিষয়টি জানাই। তিনি আশ্বাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু বাজেট পেশ হয়ে গেলেও, আমাদের আর্জি শোনা হয়নি। কেন্দ্র ইচ্ছা করলেই নিমেষে এই সমস্যার সমাধান করতে পারত।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck