পরপর দু’মাস বর্ধিত পেনশন থেকে বঞ্চিত হতে চলেছেন কয়েক লক্ষ শিক্ষক-অশিক্ষক, পুরসভা ও পঞ্চায়েত কর্মী

16th February 2020 পশ্চিমবঙ্গ
পরপর দু’মাস বর্ধিত পেনশন থেকে বঞ্চিত হতে চলেছেন কয়েক লক্ষ শিক্ষক-অশিক্ষক, পুরসভা ও পঞ্চায়েত কর্মী


: à¦œà¦¾à¦¨à§à§Ÿà¦¾à¦°à¦¿à¦° মতো ফেব্রুয়ারি মাসের বর্ধিত পেনশন থেকেও এবার বঞ্চিত হতে চলেছেন রাজ্যের কয়েক লক্ষ অবসরপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-অশিক্ষক, পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের কর্মী। ২০২০ সালের à§§ জানুয়ারি থেকে ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর হয়েছে। সেই সূত্রে ফেব্রুয়ারির গোড়াতেই বর্ধিত পেনশন হাতে পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্কুল শিক্ষা, উচ্চ শিক্ষা, পুর এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের গাফিলতিতে এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। যার ফলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্তরা ফেব্রুয়ারিতে বর্ধিত পেনশন পাননি। ফেব্রুয়ারি মাসের বর্ধিত পেনশন যা মার্চের মাস পয়লায় হাতে পাওয়ার কথা ছিল, তা থেকেও এবার বঞ্চিত হতে চলেছেন কয়েক লক্ষ বৃদ্ধ-অশক্ত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী। এই বিরাট সংখ্যক পেনশনভোগী কবে তাঁদের হকের পাওনা হাতে পাবেন, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না প্রশাসনিক কর্তারা। যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ।
অর্থ দপ্তরের কর্তাদের বক্তব্য, রাজ্য সরকার চলতি বাজেটে অবসরপ্রাপ্তদের কথা মাথায় রেখেই পেনশন খাতে গতবারের তুলনায় প্রায় দু’হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ করেছে। স্বভাবতই পেনশনভোগীদের হকের বর্ধিত অর্থ দিতে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাব নেই। কিন্তু কয়েকটি দপ্তরের আমলাদের একাংশের উদাসীনতার খেসারত দিতে হচ্ছে রাজ্যের কয়েক লক্ষ পেনশনভোগীকে। ওই কর্তাদের দাবি, ষষ্ঠ বেতন কমিশন লাগু হওয়ার পর কর্মীদের সংশোধিত বেতন-পেনশন দিতে রিভিশন অব পে অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস এবং রিভিশন অব পেনশন জারি করতে হয়। অর্থ দপ্তরের তরফে যা ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে। পাশাপাশি অর্থ দপ্তরের অনুমোদন নিয়ে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজ-পুরসভা-পঞ্চায়েতে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্তদের জন্য এ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। জানা গিয়েছে, কর্মরত স্কুল-কলেজ-পুরসভা-পঞ্চায়েতের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলি। কিন্তু তারা অবসরপ্রাপ্তদের জন্য প্রয়োজনীয় রিভিশন অব পেনশন সংক্রান্ত আদেশনামা জারি করেনি। ফলে পর পর দু’মাস বর্ধিত পেনশন থেকে বঞ্চিত হতে চলেছেন রাজ্যের কয়েক লক্ষ অবসরপ্রাপ্ত কর্মী।
সূত্রের দাবি, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-অধ্যাপকদের ক্ষোভের বার্তা নবান্নে পৌঁছতেই স্কুল এবং উচ্চ শিক্ষা দপ্তর এ সংক্রান্ত ফাইল অর্থ দপ্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠায়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এবং অর্থসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী তাতে স্বাক্ষর করেন। শুক্রবার উচ্চ শিক্ষা দপ্তর পেনশনভোগীদের জন্য পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও স্কুল শিক্ষা দপ্তর তা এখনও করে উঠতে পারেনি। পুর এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের তরফে এখনও বর্ধিত পেনশনের প্রয়োজনীয় ফাইল নবান্নে পাঠানো হয়নি। স্বভাতই এই অনাবশ্যক বিলম্বের জেরে বর্ধিত পেনশন এপ্রিলেও পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়। অর্থ দপ্তরের এক শীর্ষ আমলার দাবি, উচ্চ শিক্ষা দপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও তাতে বিশেষ সুবিধা হবে না। কেননা, এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর অন্তত ১০ থেকে à§§à§« দিন পেনশনভোগীদের ‘অপশন ফর্ম’ পূরণের জন্য সময় দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারি গড়িয়ে যাবে। ওই ‘অপশন ফর্ম’ জমা করার পর ট্রেজারিগুলি পেনশনভোগীদের সংশোধিত পেনশন হিসেব করে মোট বর্ধিত পাওনা স্থির করবে। এই প্রক্রিয়া করতেও বহুদিন সময় লেগে যাবে। সব মিলিয়ে অতি দ্রুততার সঙ্গে কাজ করলেও এই প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও একমাস সময় লাগবে বলে মনে করছেন তিনি। যে কারণে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ পেনশনভোগীকে অনাবশ্যক অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েক মাস। 





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck