সিএএ চালু করবই, বারাণসীতে হুঙ্কার মোদীর

16th February 2020 ভারত
সিএএ চালু করবই, বারাণসীতে হুঙ্কার মোদীর


দেশ জুড়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ঘিরে বিক্ষোভের আঁচ ক্রমশ তপ্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু তাতে পিছিয়ে আসার কোনও লক্ষণ কেন্দ্রীয় সরকার দেখাচ্ছে না। ফের এক বার সেই মনোভাব স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী থেকে রবিবার মোদী জানিয়ে দিলেন, চাপের মুখে কোনও ভাবেই সিএএ চালু করা থেকে পিছিয়ে আসবেন না তিনি।

এ দিন দিল্লিতে ছিল কেজরীবালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। আমন্ত্রিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। আর দিল্লির এই লড়াইয়েই শোচনীয় পরাজয়ের মুখ দেখেছে বিজেপি। তাই সেই ‘কুরুক্ষেত্র’ এড়িয়ে এ দিন নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীতে চলে আসেন তিনি। একটি জনসভায় তিনি বলেন, ‘‘বহু বছর ধরে দেশ সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার এবং সিএএ-এর মতো আইন চালু করার অপেক্ষায় ছিল। দেশের স্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন ছিল।’’ এর পরই সিএএ চালু করা নিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাতে আমরা অটল এবং আমরা তা থাকবও। কোনও চাপের মুখেই তা থেকে পিছিয়ে আসব না।’’





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck